Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অবশেষে জয়ের মুখ দেখলেও প্লে-অফের জটিল অঙ্কে অনির্দিষ্টের হাতে শ্রেয়সদের ভাগ্য (LSG vs PBKS)।
জয়ের মুখ দেখল পাঞ্জাব (LSG vs PBKS)
চলতি মরশুমে পাঞ্জাব দুরন্ত শুরু করেও শেষ দিকে টানা হেরে অনেকটাই পিছিয়ে গেছেন শ্রেয়স আইয়াররা। এক সময় যে দলকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছিল সেই দলকেই এখন তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে অন্য দলের দিকে। এই আবহে এই ম্যাচ পাঞ্জাবের কাছে এটা ছিল ডু অর ডাই (LSG vs PBKS)। সেই ম্যাচ জিতে নিজেদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ শেষ করলেন শ্রেয়স আইয়াররা।
এই ম্যাচ ছিল পাঞ্জাবের কাছে নিজেদের উজাড় করে দেওয়ার দলের জন্য। জেতা ছাড়া বিকল্প রাস্তা ছিল না পাঞ্জাবের ম্যাচে। তবে সেই ম্যাচে জ্বলে উঠে নিজের প্রাক্তন দলের জন্য চাপ বাড়ালেন শ্রেয়স। আইপিএল কেরিয়ারে দুরন্ত শতরান করলেন পাঞ্জাব অধিনায়ক (LSG vs PBKS)।
আরও পড়ুন: China Coal Mine Blast: চিনের শানসিতে কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণ: অন্তত ৯০ জনের মৃত্যু
প্রভসিমরন ৬৯ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেললেন। তাঁদের ব্যাটে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে হারাল পঞ্জাব কিংস তবে তাতে খুব বেশি যে লাভ হয়েছে সেটা বলা যাবে না নিশ্চিত করে। কারণ আগামীকাল অর্থাৎ রবিবার পাঞ্জাবের ভাগ্য নির্ধারণ হবে রাজস্থানের ম্যাচের উপর। তারা জিতলে কলকাতা আর পাঞ্জাব দুই দলেরই কপাল পুড়বে। টানা ছয় ম্যাচ হেরে অবশেষে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচ জয় আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ করবে শ্রেয়সদের (LSG vs PBKS)।
অন্যদিকে বিপক্ষ লখনউ আবারও ম্যাচ হেরে নিজেদের হারের রেকর্ড বজায় রাখল। এই মরশুম তাঁদের জন্য দুঃস্বপ্নের থেকে কম কিছু না। তাঁদের এখন মূল লক্ষ্য হবে যত দ্রুত সম্ভব এই লজ্জার মরশুম ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর। তবে হ্যাঁ এতে অনেকটাই চাপ বাড়ল কলকাতার (LSG vs PBKS)।
এই ম্যাচে লখনউ দলের হয়ে ওপেন করার সুযোগ পা আর্শিন কুলকর্ণী। সেখানে শূন্য রানে ফিরতে হয় তাঁকে। পুরান এই ম্যাচেও ব্যর্থ। দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা করেন জশ ইংলিশ এবং আয়ুষ বদোনি। ১৮ বলে ৪৩ করে আউট হন আয়ুষ।
এই ম্যাচেও রান না পেয়ে হতাশ করলেন দলের সবথেকে দামি তারকা পন্থ। ২২ বলে ২৬ রান পন্থকে নিজের ভুল নিয়ে ভাবতে বাধ্য করবে। জশ ইংলিশ না থাকলে দলের স্কোর অনেক কম হত। একার কাঁধে দলকে টেনে নিয়ে যান তিনি। ৪৪ বলে ৭২ করে ফেরেন তিনি। অবশেষে ২০ ওভার শেষে লখনউ করে ১৯৬। যা প্রজেক্টেড স্কোরের থেকে অন্তত ২০-২৫ রান কম।
শ্রেয়স ও প্রভসিমরনের দাপটে ১২ বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় পাঞ্জাব। ৫১ বলে শ্রেয়সের ১০১ রানের দুরন্ত ইনিংস বুঝিয়ে দিল আবার কেন তিনি বড় ম্যাচের প্লেয়ার। শুধু সেঞ্চুরি নয় শ্রেয়স জানতেন রান রেট কতটা গুরুত্বপূর্ণ আর সেই কারণে সামিকে এক ওভারে তিনটি ছয় মারেন। এখানেই বোঝা যায় কতটা ক্যালকুলেটিভ ইনিংস খেলেছেন শ্রেয়স।
রাজস্থান জিতে গেলে আর কোনও অঙ্কই কাজে আসবে না তবে রাজস্থান হেরে গেলে কলকাতাকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে দিল্লিকে। প্রথমে ব্যাট করলে অন্তত ৭৭ রানে ম্যাচ জিততে হবে। আবার দ্বিতীয় ব্যাট করলে অন্তত ৪৪-৫০ বল বাকি থাকতে জিততে হবে আর সেটা কতটা কঠিন সেটা অনুমেয় (LSG vs PBKS)।


