Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভোটের রেজাল্টের পর থেকেই ইম্পায় শুরু (EIMPA Controversy) অশান্তি। সরকার বদলেছে যখন তখন সবটা আবার শুরু হোক নতুন করে। এমনটাই দাবি রয়েছে পিয়া সেনগুপ্তর যারা বিরুদ্ধে রয়েছেন। ২২ মে ইম্পায় মিটিং হওয়ার কথা ছিল। সেই অনুযায়ী দুপুর ৩টে থেকে ইম্পার অফিসে সকলে জড়ো হন। তারপর মিটিয়ের মাঝে শুরু হয় তীব্র বাদানুবাদ। জড়িয়ে পড়েন সকল সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা।
পদত্যাগের দাবি (EIMPA Controversy)
ইম্পার (EIMPA Controversy) বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্ত। তাঁর পদত্যাগের দাবি তুললেন বিরোধী দলের সদস্যরা। তবে পিতা সেনগুপ্ত তাঁর বিরুদ্ধে আনা সকল দুর্নীতির প্রমাণ চেয়ে অনড়, যে তিনি পদত্যাগ করবেন না। শুক্রবার ৪ দফায় মিটিং হওয়ার কথা ছিল। যা মাঝ পথেই থমকে যায়। তাই এই সমস্যার মীমাংসা হল না! শহর জুড়ে ইম্পার অফিসে রণক্ষেত্র কাণ্ডের সাক্ষী থাকল সকলে।
কী রয়েছে সেই ফাইলে? (EIMPA Controversy)
সরকার বদলের পর এই দৃশ্য বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রি মনে থেকে যাবে। নজরে পড়ল পিয়া সেনগুপ্ত মিটিং ছেড়ে মাঝপথেই ফাইল হাতে বেরিয়ে গেলেন। প্রশ্ন থাকছে ফাইল হাতে বৈঠক ছেড়ে বেরোলেন পিয়া? কী রয়েছে সেই ফাইলে? পিয়া সেনগুপ্তর অভিযোগ, ভিতরে পিআরের লোক, বাইরের থেকে লোক ঢুকিয়েছে। যাঁরা পুলিশের সামনেই তেড়ে আসছে। এই পরিবেশে মিটিং সম্ভব নয়। এটা খুব অসম্মানজনক। পিয়া সেনগুপ্ত প্রশ্ন রাখলেন, “এটা কি কোনও রাজনৈতিক তৃণমূল, বিজেপি বা সিপিআইএমের পার্টি অফিস যে, বাইরে থেকে অফিসে লোক ঢুকিয়ে হাঙ্গামা করবে?” পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছতে যে, বৈঠক ছেড়ে ফাইল হাতে নিয়ে বেরিয়ে গেলেন পিয়া।
আরও পড়ুন: Indian Protein Food: প্রোটিন সাপ্লিমেন্টের চলের আগেই ভারতীয় রান্নাঘরে ছিল ‘সুপারফুড’
পিয়া সেনগুপ্তের অভিযোগ
সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তর অভিযোগ, শুক্রবারের মিটিংয়ে এমন অনেক মানুষ ছিলেন, যাঁরা ইম্পার সঙ্গে যুক্ত বা সদস্য নন। তিনি ফাইল হাতে বেরিয়ে যাওয়াতে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়। যেখানে পিয়া সেনগুপ্ত অসুস্থ হয়ে পড়েন। মিটিংয়ে পিয়া সেনগুপ্ত ছাড়াও ইম্পা সদস্য গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আবার ভোটের দাবি রাখেন। শতদীপ সাহা বলেছিলেন, যে ওনাদের কাছে পিয়া সেনগুপ্তর সকল দুর্নীতির প্রমাণ আছে। যে সব প্রমাণ নাকি পেশ করবেন তারা। এই কমিটিকে কেউ ওনারা মানেন না। এই কমিটি সিলেক্টেড! ইলেক্ট্ড নয়!


