Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গ্রেফতার নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন কাংলেইপাক কমিউনিস্ট পার্টি (কেসিপি)-র শীর্ষ কমান্ডার হাওবিজাম দিলীপ সিংহ (Terrorist Arrest)। দিল্লি পুলিশ স্পেশাল সেল, মণিপুর পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে তাঁকে রাজধানী দিল্লি থেকে আটক করা হয়।
দিল্লিতে বৈঠকে এসেই গ্রেফতার (Terrorist Arrest)
নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে দিলীপ সিংহ একটি অত্যন্ত গোপন বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে এসেছিলেন। রাজধানীতে পৌঁছানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর দিল্লি সফরের উদ্দেশ্য, স্থানীয় যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক নিয়ে এখন বিস্তৃত তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।
একাধিক মামলায় ওয়ান্টেড
একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, দিলীপ সিংহ ইউএপিএ (Unlawful Activities Prevention Act)-এর আওতায় নথিভুক্ত একাধিক মামলায় ওয়ান্টেড ছিলেন। তাঁর দিল্লিতে উপস্থিতি জঙ্গি সংগঠনের আরও বড় নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।
গোপন অস্ত্রভাণ্ডারের সন্ধান
গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মণিপুরের কাকচিং জেলায় একটি গোপন অস্ত্রভাণ্ডারের সন্ধান মেলে। মধ্যরাতে চালানো অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করে।
উদ্ধার বহু আগ্নেয়াস্ত্র (Terrorist Arrest)
উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে একটি একে-৫৬ রাইফেল, আমোগ রাইফেল, এআই রাইফেল এবং ট্যাকটিক্যাল স্কোপ-সহ একটি এম৪ রাইফেল। এছাড়া প্রায় ২,০০০ রাউন্ড জীবন্ত গুলি, বিভিন্ন অস্ত্রের ম্যাগাজিন, ৫১টি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক (এইচই) বোমা, দুটি প্যারা বোমা, ১১টি ডেটোনেটর এবং চারটি লেথোড শেল উদ্ধার হয়েছে।
আরও পড়ুন: Indo China Meet: ভারত-চিন সীমান্তে নতুন করে আলোচনা, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে জোর দুপক্ষের
উদ্ধার করা গ্যাজেট বাজেয়াপ্ত (Terrorist Arrest)
পাশাপাশি একাধিক ট্যাকটিক্যাল ব্যাগ, ত্রিপল এবং একটি মোবাইল ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ফোনটিতে ব্যবহৃত ডুয়াল সিমের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য সেটি সাইবার ফরেনসিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর ধারণা, এই বিপুল অস্ত্রভাণ্ডার উত্তর-পূর্ব ভারতে বড় ধরনের হিংসাত্মক কার্যকলাপ চালানোর উদ্দেশ্যে মজুত রাখা হয়েছিল। বিচ্ছিন্নতাবাদী ও কর্মকাণ্ডের অভিযোগে কেসিপিকে ভারত সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।



