Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্বিশা শর্মার রহস্যমৃত্যু মামলায় বড় অগ্রগতি। ত্বিশার শাশুড়ি গিরিবালা সিংকে বৃহস্পতিবার ভোপাল থেকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই(Twisha Murder Case)। এর একদিন আগেই মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় এবং ভোপালের একটি নিম্ন আদালত থেকে পাওয়া অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচও বাতিল করে।
একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে গুরুত্ব (Twisha Murder Case)
মধ্যপ্রদেশের অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশান্ত সিং জানান, হাইকোর্ট মামলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ত্বিশা শর্মার দেহে সাতটি অ্যান্টিমর্টেম আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা গুরুতর অপরাধের ইঙ্গিত বহন করে। এছাড়া তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে ত্বিশার ওপর মানসিক নির্যাতনের অভিযোগেরও উল্লেখ রয়েছে।
মানসিক হয়রানির শিকার ছিলেন
শুনানির সময় ত্বিশার পরিবারের আইনজীবীরা দাবি করেন, বিয়ের পর থেকে তিনি স্বামীর বাড়িতে মানসিক হয়রানির শিকার ছিলেন এবং অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। হাই কোর্ট জানায়, তদন্তের শুরু থেকেই ত্বিশার বাবা-মা ও আত্মীয়দের বয়ানে স্বামী সমর্থ সিং এবং শাশুড়ি গিরিবালা সিংয়ের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে হয়রানির অভিযোগ উঠে এসেছে।

প্রমাণ নষ্ট বা তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা
আদালত আরও উল্লেখ করে, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক গিরিবালা সিং সাইবার অপরাধ, সাইবার ফরেনসিকস এবং ক্রাইম সিন ম্যানেজমেন্টে প্রশিক্ষিত। ফলে তিনি প্রমাণ নষ্ট বা তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা করে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার (Twisha Murder Case)
১২ মে ত্বিশা শর্মাকে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তদন্ত সম্প্রতি সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে ত্বিশার স্বামী সমর্থ সিং, যিনি পেশায় আইনজীবী, ১০ দিন পলাতক থাকার পর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।
আরও পড়ুন: Karnataka IT: মাটির টানে ঠান্ডা ঘর থেকে মাঠে আইটি প্রফেশনাল, তবু শেষ রক্ষা হল না
পণ-সংক্রান্ত হয়রানির অভিযোগ (Twisha Murder Case)
সিবিআইয়ের এফআইআর অনুযায়ী, বিদায়ের সময় গিরিবালা সিং ত্বিশার পরিবারের কাছে ২ লক্ষ টাকা দাবি করেছিলেন এবং তাঁর জোরাজুরিতেই ওই অর্থ দেওয়া হয়। বর্তমানে পণ-সংক্রান্ত হয়রানি এবং অন্যান্য অভিযোগে মা-ছেলের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।



