Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২০ সালের উত্তর-পূর্ব দিল্লির সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময় ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি)-র কর্মী অঙ্কিত শর্মা হত্যা মামলায় সোমবার গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল দিল্লির একটি আদালত। কারকড়ডুমা আদালত প্রাক্তন আম আদমি পার্টি (আপ) কাউন্সিলর তাহির হুসেন-সহ মোট পাঁচজনকে হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত করেছে(Delhi Riot Murder)।
হত্যা মামলায় দোষী প্রাক্তন আপ নেতা (Delhi Riot Murder)
আদালত তাহির হুসেনকে খুন, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানো, দাঙ্গায় অংশগ্রহণ, হামলা এবং অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ-সহ একাধিক ধারায় দোষী বলে রায় দেয়। মামলায় নাম জড়ানোর পরই আম আদমি পার্টি তাহির হুসেনকে দল থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছিল।
তদন্তে জানা যায়, নিহত অঙ্কিত শর্মার দেহ পরে একটি নর্দমা থেকে উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, পরিচয় গোপন করার উদ্দেশ্যে তাঁর মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশে অ্যাসিড ঢেলে বিকৃত করা হয়েছিল।
এই মামলাটি ২০২০ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অঙ্কিত শর্মার বাবা রবীন্দ্র কুমারের অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের হয়। অভিযোগপত্রে তিনি জানান, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ)-এর পক্ষে ও বিপক্ষে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে টানা কয়েক দিন ধরে চাঁদবাগ পুলিয়া এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। সেই সময় উভয় পক্ষের মধ্যে পাথর ছোড়া, অগ্নিসংযোগ, গুলিবর্ষণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সেই সময়ের কাউন্সিলর তাহির হুসেন তাঁর কার্যালয়ে বহু লোক জড়ো করেছিলেন। সেখানকার ছাদ থেকে পাথর, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ এবং গুলিবর্ষণের মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হয় বলে অভিযোগ(Delhi Riot Murder)।
রবীন্দ্র কুমার জানান, ২৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা প্রায় ৫টার দিকে অঙ্কিত শর্মা বাড়ি থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বেরিয়ে আর ফেরেননি। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি নিখোঁজ ডায়েরি করেন(Delhi Riot Murder)। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে জানতে পারেন, অঙ্কিতকে হত্যা করে তাঁর দেহ চাঁদবাগ এলাকার একটি মসজিদের দিক থেকে খাজুরি খাস নালায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই রায় ২০২০ সালের দিল্লি দাঙ্গা-সংক্রান্ত অন্যতম আলোচিত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ আইনি অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।



