Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ম্যানেজমেন্ট কলেজের ছাত্রদের সরকারি বৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বড়সড় দুর্নীতির পর্দাফাঁস করেছে সিবিআই (Bhopal Scholarship Scam)। অভিযোগ, ছাত্রদের অজান্তেই তাদের নামে ১১৮টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয় এবং সেই অ্যাকাউন্টে প্রায় ৯৯.৪৯ লক্ষ টাকা বৃত্তির অর্থ জমা পড়লেও প্রকৃত ছাত্ররা একটি টাকাও পাননি।
ছাত্রদের সরকারি বৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ (Bhopal Scholarship Scam)
মধ্যপ্রদেশের ভোপালে ম্যানেজমেন্ট কলেজের ছাত্রদের সরকারি বৃত্তির টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বড়সড় দুর্নীতির পর্দাফাঁস করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)। অভিযোগ, ছাত্রদের অজান্তেই তাদের নামে ১১৮টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা হয় এবং সেই অ্যাকাউন্টে প্রায় ৯৯.৪৯ লক্ষ টাকা বৃত্তির অর্থ জমা পড়লেও প্রকৃত ছাত্ররা একটি টাকাও পাননি।
সিবিআই জানিয়েছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের অক্টোবরের মধ্যে ইউকো ব্যাংকের ভোপালের হাবিবগঞ্জ শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা এবং একটি ম্যানেজমেন্ট কলেজের কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে এই প্রতারণা চালানো হয়। ঘটনাটি সামনে আসে ইউকো ব্যাংকের ভোপাল জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার লোকেশ কুমার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ জানানোর পর।
তদন্তে উঠে এসেছে, কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের নথি ব্যবহার করে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্ম তৈরি করে এবং ছাত্রদের স্বাক্ষর জাল করা হয়। বাধ্যতামূলক কেওয়াইসি (KYC) প্রক্রিয়াও হয় এড়িয়ে যাওয়া হয়, নয়তো জালিয়াতির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। অ্যাকাউন্টগুলির সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর ছিল কলেজের কর্মী বা তাদের ঘনিষ্ঠদের। ফলে লেনদেনের জন্য প্রয়োজনীয় ওটিপি তাদের কাছেই পৌঁছাত(Bhopal Scholarship Scam)।
অভিযোগ, ব্যাংকের এটিএম কার্ডও ছাত্রদের হাতে দেওয়া হয়নি। সমস্ত ডেবিট কার্ড কলেজের কর্মী রাম সিং ভার্মার নিয়ন্ত্রণে ছিল। বৃত্তির টাকা জমা পড়ার পরই এটিএম ও ওটিপি ব্যবহার করে দ্রুত সেই অর্থ তুলে নেওয়া হত(Bhopal Scholarship Scam)।
সিবিআইয়ের অভিযোগ, ইউকো ব্যাংকের তৎকালীন সিনিয়র ম্যানেজার প্রেমা ভার্মা নথি যাচাই, কেওয়াইসি ও মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন না করে এই জালিয়াতিতে সহায়তা করেন।
এই ঘটনায় প্রেমা ভার্মা, অ্যাকাডেমি অব ম্যানেজমেন্ট কলেজের পরিচালক বিনয় মালহোত্রা, অধ্যাপক আদিত্য মালহোত্রা, সহকারী অধ্যাপক মনোজ জৈন, বিনেশ মেশরাম এবং কর্মী রাম সিং ভার্মার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ছাড়াও প্রতারণা, জালিয়াতি ও জাল নথি ব্যবহারের ধারায় মামলা করা হয়েছে। যদিও অভিযুক্তরা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার দাবি করেছে।
সিবিআই জানিয়েছে, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২১ সালের অক্টোবরের মধ্যে ইউকো ব্যাংকের ভোপালের হাবিবগঞ্জ শাখার কয়েকজন কর্মকর্তা এবং একটি ম্যানেজমেন্ট কলেজের কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে এই প্রতারণা চালানো হয়। ঘটনাটি সামনে আসে ইউকো ব্যাংকের ভোপাল জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার লোকেশ কুমার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ জানানোর পর।
তদন্তে উঠে এসেছে, কলেজ কর্তৃপক্ষ ছাত্রদের নথি ব্যবহার করে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলার ফর্ম তৈরি করে এবং ছাত্রদের স্বাক্ষর জাল করা হয়। বাধ্যতামূলক কেওয়াইসি (KYC) প্রক্রিয়াও হয় এড়িয়ে যাওয়া হয়, নয়তো জালিয়াতির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। অ্যাকাউন্টগুলির সঙ্গে যুক্ত মোবাইল নম্বর ছিল কলেজের কর্মী বা তাদের ঘনিষ্ঠদের। ফলে লেনদেনের জন্য প্রয়োজনীয় ওটিপি তাদের কাছেই পৌঁছাত।
অভিযোগ, ব্যাংকের এটিএম কার্ডও ছাত্রদের হাতে দেওয়া হয়নি। সমস্ত ডেবিট কার্ড কলেজের কর্মী রাম সিং ভার্মার নিয়ন্ত্রণে ছিল। বৃত্তির টাকা জমা পড়ার পরই এটিএম ও ওটিপি ব্যবহার করে দ্রুত সেই অর্থ তুলে নেওয়া হতো।
সিবিআইয়ের অভিযোগ, ইউকো ব্যাংকের তৎকালীন সিনিয়র ম্যানেজার প্রেমা ভার্মা নথি যাচাই, কেওয়াইসি ও মোবাইল নম্বর যাচাইয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন না করে এই জালিয়াতিতে সহায়তা করেন (Bhopal Scholarship Scam)।
এই ঘটনায় প্রেমা ভার্মা, অ্যাকাডেমি অব ম্যানেজমেন্ট কলেজের পরিচালক বিনয় মালহোত্রা, অধ্যাপক আদিত্য মালহোত্রা, সহকারী অধ্যাপক মনোজ জৈন, বিনেশ মেশরাম এবং কর্মী রাম সিং ভার্মার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ছাড়াও প্রতারণা, জালিয়াতি ও জাল নথি ব্যবহারের ধারায় মামলা করা হয়েছে (Bhopal Scholarship Scam)। যদিও অভিযুক্তরা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার দাবি করেছে।



