Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কল্যাণ দত্ত, বর্ধমান: রবিবার বর্ধমান জেলায় বিজেপির কার্যালয়ে (BJP Sukanta Majumdar) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-র জনপ্রিয় রেডিও অনুষ্ঠান ‘মন কি বাত’-এর ১৩৪তম পর্ব উপলক্ষে বিশেষ শ্রবণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিজেপি নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং দেশের উন্নয়ন, আত্মনির্ভরতা ও সমাজগঠনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাঁর বার্তাকে স্বাগত জানান।
উপস্থিত ছিলেন কারা? (BJP Sukanta Majumdar)
এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন (BJP Sukanta Majumdar) বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, বিজেপির জেলা সভাপতি অভিজিৎ সহ জেলার অন্যান্য নেতৃত্ব ও কর্মীরা।
অভিষেক কাণ্ডে সরব সুকান্ত (BJP Sukanta Majumdar)
অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলি নিয়ে সরব হন সুকান্ত মজুমদার। শনিবার অভিষেক ব্যানার্জী-র উপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি দাবি করেন, ঘটনার প্রকৃত চিত্র ধীরে ধীরে সামনে আসছে। তাঁর বক্তব্য, “পুলিশ ইতিমধ্যেই ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তারা সকলেই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী এবং স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ বলেই জানা যাচ্ছে। তাহলে প্রশ্ন উঠছে, যারা এতদিন তৃণমূল করত, তারা হঠাৎ কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে এই ধরনের প্রতিবাদে নামল? এই প্রশ্নের উত্তর রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী-কেই দিতে হবে”।
গলায় কটাক্ষের সুর
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তি সংক্রান্ত বিষয়েও কটাক্ষ করেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, “হাসপাতাল ভর্তি নিচ্ছে না-এই ধরনের গল্প আর চলবে না। ডাক্তার যদি অ্যাসিডিটির ওষুধ লিখে দেন, তাহলে শুধুমাত্র সেই কারণে হাসপাতালে ভর্তি নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। যদি এমন হয়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি হাসপাতালে লক্ষ লক্ষ বেডের ব্যবস্থা করতে হবে, কারণ প্রায় প্রত্যেকেরই কখনও না কখনও অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়”।
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলা
এদিনই তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জী-র উপর হামলার অভিযোগ প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমরা যেকোনও ধরনের রাজনৈতিক হিংসার নিন্দা করি। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় হিংসার কোনও স্থান নেই। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘটনাতেও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘটনার ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে তৃণমূলের লোকজনই জড়িত। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রেও তদন্তে প্রকৃত সত্য সামনে আসুক। কারা এর পিছনে রয়েছে, তা তদন্তেই স্পষ্ট হবে”।
আরও পড়ুন: Weather: উত্তরবঙ্গে বর্ষার আগমনী, দক্ষিণবঙ্গে বাড়ছে অস্বস্তি!
‘মন কি বাত’ কর্মসূচি প্রসঙ্গ
অন্যদিকে, ‘মন কি বাত’ কর্মসূচি প্রসঙ্গে বিজেপি নেতারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উন্নত, আত্মনির্ভর ও শক্তিশালী ভারতের যে দূরদর্শী রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে, তা তাঁদের নতুন উদ্যমে দেশসেবার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। নেতাদের বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যুগান্তকারী চিন্তাধারা ও আদর্শকে পাথেয় করে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের উন্নয়ন এবং একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ভারত গড়ার লক্ষ্যে তাঁরা সম্পূর্ণ নিষ্ঠা, সততা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার গ্রহণ করেছেন।


