Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্বিশা শর্মার রহস্যজনক মৃত্যু ও পণ-নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই) পাঁচ দিনের হেফাজত শেষ হওয়ার পর ত্বিশার স্বামী সমর্থ সিং এবং শাশুড়ি, প্রাক্তন জেলা বিচারক গিরিবালা সিংকে ভোপালের একটি আদালতে পেশ করে(Twisha Case)।
সোমবার তাদের পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, সিবিআই এদিন আর অতিরিক্ত রিমান্ডের আবেদন করেনি। ফলে আদালত অভিযুক্তদের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠাতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কী এই মামলা? (Twisha Case)
৩৩ বছর বয়সি ত্বিশা শর্মা নয়ডার বাসিন্দা ছিলেন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে তাঁর বিয়ে হয় সমর্থ সিংয়ের সঙ্গে। পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই ত্বিশাকে পণের জন্য মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। গত ১২ মে ভোপালে তাঁর মৃত্যু হয়। এরপরই পরিবার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে পণ-নির্যাতন এবং মানসিক অত্যাচারের অভিযোগ তোলে।
তদন্তে সিবিআই (Twisha Case)
মামলার তদন্তভার বর্তমানে সিবিআইয়ের হাতে। তদন্তের অংশ হিসেবে সোমবার সিবিআই কর্মকর্তারা গিরিবালা সিংয়ের বাড়িতে যান এবং ঘটনাস্থলের পুনর্গঠন (ক্রাইম সিন রিকনস্ট্রাকশন) করেন। একটি ডামি দেহ ব্যবহার করে ঘটনার সম্ভাব্য ক্রম পুনর্নির্মাণ করা হয়। তদন্তের সময় দুই অভিযুক্তও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে ভোপাল জেলা আদালতের বিশেষ বিচারক শোভনা ভালাভে সিবিআইকে সমর্থ সিং ও গিরিবালা সিংকে পাঁচ দিনের জন্য হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছিলেন। এই সময়ে তদন্তকারীরা বিভিন্ন প্রমাণ যাচাই এবং ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখেন।
আরও পড়ুন: India Ebola: ভারতে ইবোলার কোনও সংক্রমণ নেই, স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বিশেষ পরামর্শ কাদের জন্য?
প্রতিবাদ ও পরিবারের প্রতিক্রিয়া (Twisha Case)
মামলাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ত্বিশার পরিবারের সমর্থনে নয়ডায় একটি নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচিও আয়োজিত হয়। সেখানে ত্বিশার ভাই মেজর হর্ষিত শর্মা বলেন, “এটি এখন শুধু ত্বিশার মামলা নয়। অসংখ্য মানুষ আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। আমরা তদন্তের উপর পূর্ণ আস্থা রাখি এবং বিশ্বাস করি সত্য সামনে আসবে।”



