Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের মধ্যে তথাকথিত ‘ট্র্যাক-২’ কূটনৈতিক বৈঠক নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের পর সোমবার কেন্দ্র সরকার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি জানিয়েছেন, এ ধরনের আলোচনার সঙ্গে ভারতের সরকারের কোনও সরকারি সম্পর্ক বা সমর্থন নেই(Misri Message)।
নিজের অবস্থান স্পষ্ট করল ভারত (Misri Message)
সিএনএন-নিউজ১৮-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মিসরি বলেন, “এ ধরনের অসংখ্য অনুষ্ঠান নিয়মিত হয়। এতে নতুন বা বিশেষ কিছু নেই।” তিনি জানান, ব্যক্তিগত বা বেসরকারি উদ্যোগে আয়োজিত এসব বৈঠককে সরকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক অংশ হিসেবে দেখে না।
বিদেশ সচিবের বক্তব্য অনুযায়ী, ট্র্যাক-২ সংলাপে ভারত সরকারের কোনও সরকারি প্রতিনিধি অংশ নেন না। এমনকি সরকার এ ধরনের উদ্যোগকে সমর্থনও করে না। তিনি বলেন, “ভারত থেকে যাঁরা অংশ নেন, তাঁদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক বা প্রাক্তন কর্মকর্তারাও থাকতে পারেন। কিন্তু তাঁরা শুধুমাত্র নিজেদের ব্যক্তিগত মতামত তুলে ধরেন, ভারতের সরকারের অবস্থান নয়।”
মিসরি আরও বলেন, সরকারের দৃষ্টিতে এ ধরনের বৈঠকের বিশেষ গুরুত্ব নেই। তাই এসব আলোচনা থেকে ভারত সরকারের নীতিগত অবস্থান সম্পর্কে কোনও ধারণা করা উচিত নয়।
সম্প্রতি শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (IISS)-এর দক্ষিণ এশিয়া সংলাপের ফাঁকে ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি ট্র্যাক-২ বৈঠক হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়। সেই প্রতিবেদনগুলির পরই কেন্দ্রের এই ব্যাখ্যা সামনে এল।
‘ট্র্যাক-২ কূটনীতি’ বলতে সাধারণত দুই দেশের প্রাক্তন কূটনীতিক, গবেষক, নীতিনির্ধারণ বিশেষজ্ঞ বা নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক সংলাপকে বোঝায়। এসব বৈঠকের উদ্দেশ্য পারস্পরিক মতবিনিময় হলেও, এগুলির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারের আনুষ্ঠানিক নীতির সরাসরি সম্পর্ক থাকে না(Misri Message)।
আরও পড়ুন: Sankrail MLA: সাঁকরাইলের বিধায়কের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা খারিজ: ইলেকশন পিটিশন দায়েরের নির্দেশ
বিদেশ সচিবের মন্তব্যে স্পষ্ট, ভারত সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক বৈঠককে সরকারি কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে না(Misri Message)।



