Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: তৃণমূল কংগ্রেসের বার্ষিক ২১ জুলাইয়ের ‘শহিদ দিবস’ সমাবেশের প্রাক্কালে বড়সড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিল লালবাজার (Kolkata Police)। ধর্মতলা ও সেন্ট্রাল এভিনিউ চত্বরে অশান্তি এড়াতে এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ অংশে জারি করা হলো ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এর ১৬৩ ধারা যা আগে সিআরপিসি ১৪৪ ধারা নামে পরিচিত ছিল। আজ, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ এই সংক্রান্ত একটি কড়া নির্দেশিকা জারি করেছেন।

পুলিশ সূত্রে খবর (Kolkata Police)
নির্ভরযোগ্য মাধ্যম থেকে তথ্য মিলেছে যে ওই এলাকায় বড়সড় হিংসাত্মক বিক্ষোভ বা আন্দোলনের সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে জনজীবন ব্যাহত ও শান্তি ভঙ্গ হতে পারে। জনসাধারণের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আগামী ২ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩০ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত মোট ৬০ দিন অথবা পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। ২১ জুলাইয়ের মেগা সমাবেশের আগে ও পরে কোনও রকম বিশৃঙ্খলা এড়াতেই এই আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
কলকাতা পুলিশের নির্দেশিকা (Kolkata Police)
কলকাতা পুলিশের নির্দেশিকা অনুযায়ী, মূলত ধর্মতলার এসপ্ল্যানেড সহ তিনটি প্রধান এলাকা ও তার আসেপাসে এই নিয়ম লাগু থাকবে: বউবাজার থানা এলাকা, হেয়ার স্ট্রিট থানা এলাকা হেডকোয়ার্টার্স ট্রাফিক গার্ড এলাকা, কে.সি. দাস ক্রসিং থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস (সিইএসসি সদর দফতর) এবং তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চল (বেন্টিঙ্ক স্ট্রিট বাদে)।

কড়া নিষেধাজ্ঞা (Kolkata Police)
আগামী ৬০ দিন এই নির্দিষ্ট এলাকাগুলোতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা থাকবে: ৫ বা তার বেশি মানুষের বেআইনি জমায়েত বা সমাবেশ করা যাবে না। কোনও ধরনের অনুমতিহীন র্যালি, সভা, মিছিল, ধর্না বা বিক্ষোভ প্রদর্শন করা যাবে না। লাঠি, ধারালো অস্ত্র বা অন্য কোনও বিপজ্জনক অস্ত্র বহন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
আরও পড়ুন : Taratala Compensation: মৃতদের পরিবার পিছু ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
এমন কোনও কাজ করা যাবে না যা এলাকার শান্তি ভঙ্গ করে বা যানচলাচলে ব্যাঘাত ঘটায়। লালবাজারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই নির্দেশিকা লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কড়া আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট সমস্ত থানা ও কলকাতা পুরসভার নোটিশ বোর্ডে টাঙানো হচ্ছে।



