Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভেনেজুয়েলা থেকে দেশে ফেরত আনা ৩৩ বছর বয়সি ভারতীয় নাবিক রাকেশ চৌহানের দেহে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অভ্যন্তরীণ অঙ্গ অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে(Venezuela Sailor Body)। উত্তরপ্রদেশের দেওরিয়া জেলার বাসিন্দা রাকেশের পরিবার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।
অঙ্গ উধাও, উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি (Venezuela Sailor Body)
পরিবারের দাবি, রাকেশ চৌহান ২০২৫ সালের নভেম্বরে একটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে মার্চেন্ট জাহাজের ক্রু সদস্য হিসেবে ভেনেজুয়েলায় গিয়েছিলেন। চলতি বছরের মে মাসে সংস্থা তাদের জানায়, জাহাজে পড়ে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন এবং হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরদিন সকালে জানানো হয়, তাঁর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা মাত্র ৫ শতাংশ। এরপর একই দিন পরিবারকে তাঁর মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়।
সংস্থার তরফে দাবি করা হয়, পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে মরদেহ ভারতে পাঠানো হবে। কিন্তু পরিবারের হাতে দেহ পৌঁছাতে প্রায় এক মাস লেগে যায়।
দেওরিয়ার জেলা শাসকের নির্দেশে সম্প্রতি দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত করা হয়। দেওরিয়া মেডিক্যাল কলেজের প্রধান মেডিক্যাল সুপার ডা. এইচ কে মিশ্র জানান, ময়নাতদন্তে দেখা গেছে দেহে মস্তিষ্ক, হৃদ্যন্ত্র, দুই ফুসফুস, যকৃত, দুই কিডনি, প্লীহা, অগ্ন্যাশয়, পাকস্থলী ও অন্ত্রসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ নেই। এছাড়া থাইরয়েড, হাইয়য়েড হাড়, ল্যারিংস ও ট্র্যাকিয়াও অনুপস্থিত ছিল। ফলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
রাকেশের বাবা রামদেব চৌহানের অভিযোগ, বিদেশে হওয়া ময়নাতদন্তের রিপোর্ট বা সংশ্লিষ্ট কোনও সরকারি নথি পরিবারকে দেওয়া হয়নি। তিনি কেন্দ্র ও উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত, সংশ্লিষ্ট সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন(Venezuela Sailor Body)।
আরও পড়ুন: Indo Japan Investment: ভারত-জাপান নতুন মাইলফলক, ১০ বছরে ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের লক্ষ্য
এদিকে, ফেডারেশন অব সিফেয়ারার্স ইউনিয়নস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও প্রয়োজনীয় নথি ছাড়াই মরদেহ ভারতে পাঠানো হয়েছে(Venezuela Sailor Body)। সংগঠনটি ভারতীয় দূতাবাসের দ্রুত হস্তক্ষেপ, সম্পূর্ণ রিপোর্ট প্রকাশ, মৃত্যুর পরিস্থিতির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং পরিবারের জন্য উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছে।



