Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত ও জাপান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে আগামী ১০ বছরে ভারতে ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে(Indo Japan Investment)। একই সঙ্গে সেমিকন্ডাক্টর, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি এবং স্থিতিশীল সরবরাহ শৃঙ্খল (সাপ্লাই চেইন) গড়ে তুলতে একটি যৌথ রোডম্যাপও ঘোষণা করেছে দুই দেশ।
ভারত-জাপান বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব (Indo Japan Investment)
বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৬তম ভারত-জাপান বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের পর যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানান, ভারত-জাপান বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব দ্রুত এগিয়ে চলেছে। গত এক বছরে দুই দেশের মধ্যে ১২০টি নতুন ব্যবসায়িক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং জাপানের পক্ষ থেকে ভারতে প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
মোদি বলেন, বর্তমান অনিশ্চিত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা আগের যেকোনও সময়ের তুলনায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেই কারণে সেমিকন্ডাক্টর, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং সাপ্লাই চেইন রেজিলিয়েন্সে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য দুই দেশ একটি যৌথ রোডম্যাপ তৈরি করেছে।
বৈঠকে ভারত ও জাপান যৌথভাবে ‘ইন্ডিয়া-জাপান বায়োগ্যাস ইনিশিয়েটিভ’-এরও সূচনা করেছে। এটি ভারতের ‘গোবর্ধন উদ্যোগ’-এর আওতায় বাস্তবায়িত হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, টেকসই উন্নয়নকে উৎসাহিত করা এবং সার্কুলার ইকোনমি গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি-কে নিজের “ছোট বোন” বলে উল্লেখ করে মোদি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম ভারত সফর ভারত-জাপান বিশেষ কৌশলগত ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে (Indo Japan Investment)।
আরও পড়ুন: Edin Dzeko: বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলেও বসনিয়ার অধিনায়ক গড়লেন নজির
দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব বাণিজ্য, উচ্চপ্রযুক্তি, পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, কৌশলগত শিল্প এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরও শক্তিশালী করার ব্যাপারেও একমত হয়েছে (Indo Japan Investment)। বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে ভারত-জাপানের এই নতুন অংশীদারিত্ব ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও কৌশলগত স্থিতিশীলতা আরও জোরদার করবে।



