Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাঙালির আচার-অনুষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্রত হল বিপত্তারিণী ব্রত (Bipadtarini Puja 2026)। বিশ্বাস করা হয়, দেবী দুর্গার এই বিশেষ রূপ ভক্তদের জীবনের নানা সংকট, অশান্তি ও অপ্রত্যাশিত বিপদ থেকে রক্ষা করেন। তাই পরিবারের সুখ-শান্তি ও কল্যাণ কামনায় প্রতি বছর অসংখ্য ভক্ত নিষ্ঠার সঙ্গে এই ব্রত পালন করেন।
কবে পালিত হবে এই ব্রত? (Bipadtarini Puja 2026)
২০২৬ সালে বিপত্তারিণী ব্রত পালিত হবে ১৮ জুলাই (শনিবার) এবং (Bipadtarini Puja 2026) ২১ জুলাই (মঙ্গলবার)। রথযাত্রা ও উলটোরথের মধ্যবর্তী শনিবার কিংবা মঙ্গলবার এই ব্রত পালনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
তেরো মাহাত্ম্য (Bipadtarini Puja 2026)
এই পুজোর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল ‘১৩’ সংখ্যার মাহাত্ম্য। পূজার উপকরণ হিসেবে ১৩টি ফল, ১৩ রকম ফুল, ১৩টি পান, ১৩টি সুপারি, ১৩টি দূর্বা এবং ১৩ গিঁট দেওয়া লাল সুতো নিবেদন করার প্রথা রয়েছে। পাশাপাশি ঘট, আম্রপল্লব, ডাব ও নৈবেদ্যও পুজোর অপরিহার্য অংশ।
কী কী করতে হয়?
ব্রতের আগের দিন নিরামিষ আহার গ্রহণ করা শুভ বলে মনে করা হয়। পুজোর দিন অনেকেই উপবাস রেখে দেবীর আরাধনা করেন। ব্রত সম্পন্ন হওয়ার পর প্রসাদ গ্রহণের মাধ্যমে উপবাস ভঙ্গ করা হয়। প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, মহিলারা বাম হাতে এবং পুরুষরা ডান হাতে ১৩ গিঁটের পবিত্র লাল ডোর ধারণ করেন।
আরও পড়ুন: Vish Yog 2026: বিষ যোগে বিপাকে ৫ রাশি!
এই ব্রত পালনের সময় কিছু নিয়মও মানা হয়। পুজোর পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা, অযথা বিতর্ক বা অপমানজনক আচরণ এড়িয়ে চলা, মদ্যপান থেকে বিরত থাকা এবং শাস্ত্রসম্মত আচরণ বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, আন্তরিক ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেবীর আরাধনা করলে সংসারে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সুরক্ষার আশীর্বাদ লাভ করা যায়।


