Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো তামিলনাড়ুর মহেন্দ্রগিরিতে অবস্থিত ইসরো প্রপালশন কমপ্লেক্সে এলভিএম৩ (LVM3)-এর পরবর্তী মিশনের জন্য সিই২০ (CE20) ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিনের ফ্লাইট অ্যাকসেপ্ট্যান্স টেস্ট সফলভাবে সম্পন্ন করেছে(ISRO Success)। ইসরোর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই সাফল্য ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
মহাকাশ কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক (ISRO Success)
আগে জিএসএলভি মার্ক-৩ নামে পরিচিত এলভিএম৩ ইসরোর সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট। এর আপার স্টেজে ব্যবহৃত হয় সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সিই২০ ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন। চন্দ্রযান-২, চন্দ্রযান-৩-সহ মোট আটটি সফল মিশনে এই ইঞ্জিন ব্যবহৃত হয়েছে। এবার প্রথমবার ২২ টন থ্রাস্টে নোজল প্রোটেকশন সিস্টেম (NPS) ব্যবহার করে ইঞ্জিনটির পরীক্ষা করা হয়।
পরীক্ষায় প্রথমে ১৯.৫ টন থ্রাস্টে ৪৫ সেকেন্ড এবং পরে ২২ টন থ্রাস্টে ২৫ সেকেন্ড ইঞ্জিন সফলভাবে চালানো হয়। ইসরো জানিয়েছে, ইঞ্জিন ও এনপিএস উভয়েরই কর্মক্ষমতা সন্তোষজনক প্রমাণিত হয়েছে। ফলে ইঞ্জিনটি সংস্কারের পর সি৩২ (C32) ফ্লাইট স্টেজে সংযুক্ত করে এলভিএম৩-এম৭ (LVM3-M7) মিশনের জন্য প্রস্তুত করা হবে।
এই সাফল্যের ফলে এলভিএম৩-এর পেলোড বহনক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক উৎক্ষেপণ বাজারে ভারতের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে শক্তিশালী করবে। নির্ভরযোগ্য ও তুলনামূলক কম খরচের উৎক্ষেপণ পরিষেবা খুঁজছে এমন বিদেশি গ্রাহকদের কাছেও এটি বড় আকর্ষণ হয়ে উঠতে পারে।
এছাড়া, সিই২০ ইঞ্জিনের মানব-রেটিং সংক্রান্ত যোগ্যতাও গগনযান কর্মসূচির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এই পরীক্ষা ভারতের প্রথম মানব মহাকাশ অভিযান গগনযান বাস্তবায়নের পথ আরও সুগম করেছে(ISRO Success)।
আরও পড়ুন: Sensex Down: মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় ধাক্কা শেয়ারবাজারে : সেনসেক্স , নিফটি নামল নিচে
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্রায়োজেনিক ইঞ্জিন প্রযুক্তি বিশ্বের অন্যতম জটিল মহাকাশ প্রযুক্তি(ISRO Success)। একসময় এই প্রযুক্তি ভারতের কাছে পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হলেও, আজ সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সিই২০ ইঞ্জিনের ধারাবাহিক সাফল্য ভারতের আত্মনির্ভরতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার উজ্জ্বল প্রমাণ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।



