Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উজবেকিস্তানে পড়াশোনা করতে যাওয়া কেরলের এক ভারতীয় মেডিক্যাল ছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে(Uzbekistan Indian Student)। পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পাশাপাশি তাঁকে অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত তাঁকে খুন করা হয়েছে বলেই পরিবারের দাবি। ঘটনাটি ঘিরে ভারত ও উজবেকিস্তান দুই দেশেই নিরপেক্ষ ও বিস্তারিত তদন্তের দাবি উঠেছে।
ছাত্রীর মৃত্যু, পরিবারের একাধিক অভিযোগ (Uzbekistan Indian Student)
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, একই প্রতিষ্ঠানে পড়া এক সহপাঠী এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। মৃত্যুর আগে কয়েক মাস ধরে ওই ছাত্রী তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছে নির্যাতন এবং ধর্মান্তরের চাপের বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
কেরলের হারিপাদ থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। কায়ামকুলমের ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অব পুলিশ (ডিওয়াইএসপি) বিনুকুমার টি সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে বলেন, অপরাধটি বিদেশে সংঘটিত হলেও ভারতীয় আইনে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কেরল পুলিশ মামলা নথিভুক্ত করতে পারে।
তিনি জানান, যদি উজবেকিস্তানের পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়, তবে ভারতের মামলাটি সেই অনুযায়ী নিষ্পত্তি করা হবে। কিন্তু সেখানে যথাযথ আইনি পদক্ষেপ না হলে কেরল পুলিশ নিজস্ব তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে।
এদিকে, মৃত ছাত্রীর পরিবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA)-এর হস্তক্ষেপ চেয়ে উভয় দেশের সরকারের কাছে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের তোলা নির্যাতন ও জোরপূর্বক ধর্মান্তরের অভিযোগসহ সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত প্রমাণের ভিত্তিতেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে(Uzbekistan Indian Student)।
এই ঘটনায় বিদেশে পড়তে যাওয়া ভারতীয় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তুলনামূলক কম খরচে চিকিৎসাশিক্ষার সুযোগ থাকায় প্রতিবছর বহু ভারতীয় ছাত্রছাত্রী উজবেকিস্তানসহ মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পড়তে যান(Uzbekistan Indian Student)। তাই এই ঘটনায় দ্রুত কূটনৈতিক সমন্বয়, ফরেনসিক তদন্ত এবং পূর্ণাঙ্গ অপরাধ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য সামনে আনার দাবি জোরালো হয়েছে।



