Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কেরলের কান্নুর জেলায় অ্যানেস্থেশিয়া দেওয়ার পর অচেতন হয়ে পড়া ১৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে(Keralam Child Death)। মৃত শিশুর পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসায় গাফিলতির কারণেই এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। যদিও হাসপাতাল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
অ্যানেস্থেশিয়ার পর শিশু মৃত্যু (Keralam Child Death)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শিশুর নাম দেবাংশ শৌর্য। সে কান্নুরের এরামাম-কুট্টুর এলাকার বাসিন্দা টি সুরজ ও বিজিশার একমাত্র সন্তান। গত ৫ জুলাই বাড়ির বাইরে খেলতে গিয়ে পড়ে তার ঠোঁটে গভীর কেটে যায়। প্রথমে তাকে মাথামঙ্গলমের একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়।
পরবর্তীতে শিশুটিকে পায়্যান্নুরের বেবি মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ঠোঁটের ক্ষত সেলাই করার জন্য তাকে অ্যানেস্থেশিয়া দেওয়া হয়। অভিযোগ, অ্যানেস্থেশিয়া দেওয়ার পরই সে অচেতন হয়ে পড়ে। এরপর তাকে দ্রুত কান্নুরের বেবি মেমোরিয়াল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই শুক্রবার রাত প্রায় ৯টার সময় তার মৃত্যু হয়।
শিশুর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে চিকিৎসক অঞ্জলি পোদুভালের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ১২৫ ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এই ধারায় এমন কাজের অভিযোগ আনা হয়, যা অন্যের জীবন বা ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকে বিপন্ন করে। দোষী প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড হতে পারে।
অন্যদিকে, বেবি মেমোরিয়াল হাসপাতাল এক বিবৃতিতে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। হাসপাতালের দাবি, অ্যানেস্থেশিয়া দেওয়ার পর শিশুটির আকস্মিকভাবে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়। সঙ্গে সঙ্গেই তাকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রাখা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য কান্নুর শাখায় স্থানান্তর করা হয়(Keralam Child Death)।
আরও পড়ুন: Indian DIplomat: বাংলাদেশে সেমিনারে জম্মু-কাশ্মীরের ‘ভুল মানচিত্র’ ঘিরে আপত্তি ভারতের কূটনীতিকের
হাসপাতাল আরও জানিয়েছে, সঠিক মাত্রায় ও প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করেও অ্যানেস্থেশিয়ার পর বিরল জটিলতা দেখা দিতে পারে(Keralam Child Death)। চিকিৎসকরা সমস্ত স্বীকৃত চিকিৎসা-প্রোটোকল মেনেই শিশুটিকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলেন বলে হাসপাতালের দাবি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।



