Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নরওয়ের স্বপ্নের দৌড় প্রায় একাই থামিয়েছেন হাল্যান্ডের (Erling Haaland) প্রিয় বন্ধু ইংল্যান্ডের জুড বেলিংহাম। তবে নরওয়ের বিশ্বকাপ যাত্রা শেষ হলেও স্ট্রাইকার আর্লিং হাল্যান্ডকে (Erling Haaland) নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। দেশে ফেরার সময় তার হাতে থাকা এক অদ্ভুত ‘স্মারক’ এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।
কী নিয়ে দেশে ফিরলেন হাল্যান্ড? (Erling Haaland)
গত ১৩ জুলাই ওসলো বিমানবন্দরে যখন হাল্যান্ড বিমান থেকে নামলেন, তখন তার হাতে ছিল বিলাসবহুল ডলচে অ্যান্ড গাবানা ব্যাগ। তবে সবার চোখ আটকে গেল তার অন্য হাতে থাকা বস্তুটির ওপর একটি ট্যাক্সিডার্মি (মৃত প্রাণীর দেহ সংরক্ষণ) করা র্যাকুন, যার হাতে ধরা একটি হুইস্কির বোতল! প্রথম দর্শনে অনেকেরই মনে হয়েছিল, এটি হয়তো এআই দিয়ে তৈরি কোনও ভুয়ো ছবি। তবে সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে হাল্যান্ড (Erling Haaland) নিজেই তার ইনস্টাগ্রামে র্যাকুনটির সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। মজার ছলে ক্যাপশনে লেখেন, “এটি আমার পিছু নিয়েছিল!” কিন্তু কেন এই অদ্ভুত বস্তু? জানা গেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপের আবহে এটি ছিল তার এক অনন্য উপহার বা স্মারক। ট্যাক্সিডার্মি করা এই অদ্ভুত প্রাণীটিকে তিনি নিজের নতুন ‘লোমশ বন্ধু’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন।

খোশ মেজাজে হাল্যান্ড! (Erling Haaland)
খেলাধুলার জগতে তারকাদের এমন অদ্ভুত কাণ্ড নতুন কিছু নয়। তবে বিশ্বকাপের মতো একটি গ্ল্যামারাস ইভেন্টের সমাপ্তিতে হাল্যান্ডের (Erling Haaland) এই ‘অফবিট’ রসিকতা ভক্তদের যেমন অবাক করেছে, তেমনই তার সাবলীল হাস্যরসের পরিচয়ও পাওয়া গেছে। ফুটবল মাঠে গোল করার নেশায় মত্ত থাকা হাল্যান্ড যে মাঠের বাইরেও এমন হিউমার ধরে রাখতে পারেন, তা এই ঘটনায় আবারও প্রমাণিত হল।
আরও পড়ুন: World Cup 2026 Referees: বিতর্কের আবহে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল, নজরে ইসমায়েল!
হাল্যান্ডের সহযাত্রী (Erling Haaland)
বিশ্বকাপ জয়ের ট্রফি নিয়ে বাড়ি ফিরতে না পারলেও, নরওয়ের এই ‘গোল মেশিন’ তার সঙ্গে নিয়ে এলেন এক অদ্ভুত কিন্তু অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। ভক্তরা এখন শুধু এটাই ভাবছেন, এই র্যাকুনটির ভবিষ্যৎ ঠিকানা নরওয়ের হালান্ডের ড্রয়িংরুম হতে যাচ্ছে কি না! হাল্যান্ডের এই অদ্ভুত ‘সহযাত্রী’ কি তবে আধুনিক ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত খেয়ালের বহিঃপ্রকাশ? উত্তর যা-ই হোক, ফুটবলপ্রেমীদের কাছে এই মুহূর্তটি বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত ঘটনা হয়ে রইল।



