Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ হতেই এল দুঃসংবাদ। বিশ্বকাপের রেশ এখনও কাটেনি। ফুটবলের সবচেয়ে বড় ব্যাটেল শেষ হতেই প্রয়াত হলেন ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ফুটবলার ও কোচ কেভিন কিগান (Kevin Keegan Died)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। চলতি বছরের শুরু থেকেই তিনি ক্যানসারে ভুগছিলেন। অসাধারণ ড্রিবলিং, নিখুঁত ফিনিশিং এবং দুর্দান্ত হেডিং দক্ষতার সুবাদে বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের মধ্যে গণ্য করা হতো তাঁকে। লিভারপুল ও নিউক্যাসলের হয়ে স্মরণীয় পারফরম্যান্সের পাশাপাশি দীর্ঘদিন সফল কোচিংয়ের দায়িত্বও সামলেছেন তিনি।
বর্ণাঢ্য কেরিয়ার ও সাফল্য (Kevin Keegan Died)
স্কানথর্পে কেরিয়ার শুরু করলেও কিগানের খেলোয়াড়ি জীবনের সোনালী সময় কেটেছে লিভারপুলে। ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ সালের মধ্যে তিনি ২৩০ ম্যাচে ৬৮টি গোল করেন। এই সময়ে তিনি তিনবার লিগ শিরোপা এবং দু’বার ইউরোপ সেরার খেতাব অর্জন করেন। লিভারপুলের পর জার্মানির ক্লাব হামবুর্গে সফল কয়েক বছর কাটিয়ে, ১৯৮০ সালে তিনি ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন এবং সাউদাম্পটন ও নিউক্যাসলে খেলেন। ফুটবল বিশ্বে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে তিনি ১৯৭৮ ও ১৯৭৯ সালে পরপর দু’বার ব্যালন ডি’অর জেতেন। এছাড়া ইংল্যান্ডের জার্সিতে ৬৩ ম্যাচে ২১টি গোল করেন কিগান এবং ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপ দলেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন।
কোচ হিসেবে অবদান (Kevin Keegan Died)
খেলোয়াড় জীবনের পর কোচিংয়েও নামেন এই কিংবদন্তি। জাতীয় দলের কোচের দায়িত্বে খুব একটা সাফল্য না পেলেও ক্লাব ফুটবলে বিশেষ করে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের কোচ হিসেবে তাঁর সময়টি ছিল অত্যন্ত সফল। তাঁর কোচিংয়েই নিউক্যাসল প্রিমিয়ার লিগে উন্নীত হয়েছিল। পরবর্তীতে তিনি ম্যানচেস্টার সিটিরও কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরিবারের বিবৃতি (Kevin Keegan Died)
কেভিনের প্রয়াণের খবর নিশ্চিত করে তাঁর পরিবার। তারা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ‘আমরা কেভিনের চিকিৎসক দলকে ধন্যবাদ জানাই। এই কঠিন সময়ে আমরা গোপনীয়তা রক্ষার আবেদন জানাই।’
আরও পড়ুন: Yamal Spain: বিশ্বকাপের মঞ্চে নজর কাড়ল খুদে ইয়ামাল
শোকের ছায়া ফুটবল বিশ্বে (Kevin Keegan Died)
লিভারপুল ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘অদম্য মনোবল ও অবদানের জন্য তাঁর নাম আমাদের ইতিহাসে চিরকাল খোদাই হয়ে থাকবে।’ প্রাক্তন ইংরেজ তারকা অ্যালান শিয়েরার গভীর শোক প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমার নায়ক। আমার ম্যানেজার। আমার বন্ধু। শান্তিতে ঘুমান।’



