Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ছাব্বিশের বিধানসভার পর হঠাৎ (Ritabrata vs Mamata) বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের এক দল বিধায়ক ও পরিচিত নেতারা। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠন করেছে আসল সর্বভারতীয় তৃণমূল, যার সভাপতি অরূপ রায়। এই দল থেকেই মান্যতা দেওয়া হয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে, বহিস্কার করা হয়েছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিরোধী দলনেতার ঘরে গিয়ে বিদ্রোহী শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন অনেক নেতা। মমতার হাত ছেড়েছেন চন্দ্রিমা, ফিরহাদ, মদনের মত বিশ্বস্ত সঙ্গীরা। এখান থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত।
চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ মমতার (Ritabrata vs Mamata)
২১ জুলাই তৃণমূলের শহীদ দিবস (Ritabrata vs Mamata) । ১৯৯৩ সালের গণতন্ত্র অধিকার আদায়ের মিছিলে ১৩ জন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই দিনটির আয়োজন। তৃণমূলের ‘হাঁড়ি আলাদা’ হবার পর এই প্রথম ২১ জুলাই। তৃণমূলের তিন ভাগে বিভক্ত (কালীঘাট, ঋতব্রত, এনসিপিআই) দল আর কংগ্রেস, মোট চার জায়গায় মঙ্গলবার পালন করা হয়েছে এই দিনটি। স্বাভাবিকভাবেই, বিড়লা তারামণ্ডলের মঞ্চ থেকে শিবির ত্যাগীদের উদ্দেশ্যে একেবারে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “শহীদ দিবসের মঞ্চ কোনও রিয়েলিটি শো-এর মঞ্চ নয়। এখানে মানুষ ক্যাট ওয়াক দেখতে আসে না।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও হুঁশিয়ারি দেন, “প্রতীক কেড়ে নেবেন? টাকা কেড়ে নেবেন? সম্মান কেড়ে নেবেন? আমি গদ্দারদের ছেড়ে কথা বলব না। ব্যাট-বলের খেলা হবে। আমার প্রতীক কেড়ে নিলে আমি চুপ করে বসে থাকব না। প্রয়োজন হলে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যাব। আর তোমাদেরও সবকিছু কেড়ে নেব”.
আরও পড়ুন: TMC 21 July Menu: কালীঘাট, ঋতব্রত না কংগ্রেস? শহিদ দিবসে কার মেনুতে কী থাকছে?
এদিন নেত্রী বলেন, “সব চোরগুলো চলে গিয়েছে। বেঁচে গিয়েছি। ক্ষমা করুন, আপনাদের আর প্রয়োজন নেই। ধনে-মানে-প্রাণে ভাল থাকুন নতুনরাই আমার সোনার খনি। ওরা বিজেপির ‘বি’ টিম.”


