Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: করোনা মহামারির চরম সংকটের সময়ে পিপিই (PPE) জালিয়াতি করে লাখ লাখ ডলার আত্মসাতের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত দম্পতি যোগেশ ভান্ডারি ও মীনাক্ষী ভান্ডারি(Corona Fraud)। ব্রিটেনের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির তদন্তে তাঁদের এই বিশাল প্রতারণা সামনে আসে। ২১ আগস্ট আদালতের পক্ষ থেকে তাঁদের সাজা ঘোষণা করা হবে।
জালিয়াতির পরিকল্পনা ও মোডাস অপারেন্ডি (Corona Fraud)
২০২০ সালে গ্লাভস কেনাবেচার ব্যবসার নামে প্রতারণার জাল বিছান যোগেশ ভান্ডারী। এই কাজে তাঁকে সাহায্য করেন ক্রেগ মরিস নামের এক সহযোগী এবং মার্কিন আইনজীবী ফ্র্যাঙ্ক লাব্রুজো।
ভুয়া নথি প্রকাশ: ভান্ডারী জালিয়াতির জন্য ব্যাংকের ভুয়া নথি ও নথিপত্র ব্যবহার করেন, যেখানে তাঁর অ্যাকাউন্টে ১২৫ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ব্যালেন্স দেখানো হয়েছিল।
সরবরাহ না দিয়ে অর্থ আত্মসাৎ: আমেরিকান হাসপাতালে গ্লাভস সরবরাহের নামে তিনি ৩.১৮ মিলিয়ন ডলার নেন, কিন্তু কোনো পণ্যই পাঠাননি।
স্ত্রী ও অন্যান্য খাতে টাকা রূপান্তর: ১.৮ বিলিয়ন ডলারের এক চুক্তিতে ভ্যান্ডারী ১.৩৫ মিলিয়ন ডলার হস্তগত করেন, যা সরাসরি তাঁর স্ত্রীর নিয়ন্ত্রণাধীন একটি অ্যাকাউন্টে জমা হয়।
বিলাসী জীবনযাপন ও হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট (Corona Fraud)
জনগণের কষ্টের সময়ে জালিয়াতি করা অর্থ দিয়ে এই দম্পতি বিলাসিতায় মেতে ওঠেন। ১২৬,০০০ ইউরোর পোরশে গাড়ি, অডি এ৫, রোলেক্স ঘড়ি, দামি গয়না এবং বাড়ি সাজানোর কাজে এই টাকা ওড়ানো হয়।
তদন্তে উন্মোচিত হওয়া একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে মরিসকে লিখতে দেখা যায়:
“সংবাদজুড়ে কেবল পিপিই সংকটের কথা। চলো সব লুটে নিই একদম পকেট ভরে নিই।”
উত্তরে যোগেশ ভান্ডারি লেখেন:
“ঠিক বলেছ, এটি একটি ভালো টিমওয়ার্ক এবং সবারই টাকা বানানোর সুযোগ।”
আরও পড়ুন: POK Sharif: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দায়িত্ব চান নওয়াজ শরিফ: অযোগ্য ঘোষণা সংবিধানের
কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া (Corona Fraud)
এনসিএ-র অপারেশনস ম্যানেজার পল বোনিফেস জানান, মহামারির সময় যখন পুরো পৃথিবী অনিশ্চয়তায় ভুগছিল, তখন ব্যবসায়ীদের বাধ্যবাধকতার সুযোগ নিয়ে এই চক্রটি নিজস্ব পকেট ভারি করেছে। প্রকৃত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী বঞ্চিত করে এই ধরনের বড় কেলেঙ্কারী চালানো হয়েছে।



