Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে বাণিজ্য নীতি নির্ধারণের বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’। সম্প্রতি এক পোস্টে ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, আমেরিকায় আমদানিকৃত জেনেরিক ওষুধের উপর প্রথম দুই বছর কোনও শুল্ক থাকবে না। তবে দুই বছর পার হলেই বসবে ১০০ শতাংশ শুল্ক, যা পরবর্তীতে বেড়ে ২০০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাবে(Trump Ferma Tariff)।
নিশানায় ভারতের ওষুধ শিল্প (Trump Ferma Tariff)
এই নীতির মূল নিশানা ভারত, যা আমেরিকায় জেনেরিক ওষুধ রফতানিতে শীর্ষ স্থানে রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় অর্ধেক প্রেসক্রিপশনের ওষুধ কোনও না কোনওভাবে ভারতীয় কারখানার ওপর নির্ভরশীল। গত বছর ভারত আমেরিকায় প্রায় ৯.৭ বিলিয়ন ডলারের ওষুধ রফতানি করেছে, যা দেশের মোট ফার্মা রপ্তানির ৩৮ শতাংশ।
ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য হলো ওষুধ উৎপাদন মার্কিন মাটিতে ফিরিয়ে আনা। তবে বাস্তবতা বেশ কঠিন:
ওষুধের মূল্য বৃদ্ধি: এই ট্যারিফের ফলে মার্কিন রোগীদেরই ইনসুলিন বা অ্যান্টিবায়োটিকের মতো জীবনরক্ষাকারী ওষুধ চড়া দামে কিনতে হবে।
সময়ের অভাব: মার্কিন নিয়ন্ত্রক সংস্থার মান বজায় রেখে মাত্র দুই বছরে নতুন কারখানা তৈরি করা অসম্ভব।
উৎপাদন খরচ: জেনেরিক ওষুধ অত্যন্ত কম মুনাফার ব্যবসা; আমেরিকার পক্ষে ভারতের কম উৎপাদন খরচের সাথে টেক্কা দেওয়া সহজ নয়(Trump Ferma Tariff)।
ভারতীয় সংস্থাগুলোর প্রস্তুতি (Trump Ferma Tariff)
সান ফার্মা, সিপলা এবং ডক্টর রেড্ডিসের মতো সংস্থাগুলো বহু বছর ধরে মার্কিন বাজারে আধিপত্য রাখলেও, তারা এখন ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করছে। ট্রাম্পের দেওয়া দুই বছরের সময়সীমা ভারতীয় ওষুধ ব্যবসায়ীদের নতুন কৌশল তৈরির সুযোগ দিচ্ছে।



