Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক ঐতিহাসিক অধ্যায় সূচিত হলো। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (DRDO) দীর্ঘ পাল্লার সারফেস-টু-এয়ার মিসাইল (LRSAM) ‘কুশা’ (Project Kusha)-র সফল প্রথম পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সম্পন্ন করেছে(Kusha Missile)।
সফল উৎক্ষেপণ ও নির্ভুল নিশানা (Kusha Missile)
ওড়িশার ড. এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপের লাঞ্চ কমপ্লেক্স-৪ থেকে ‘কুশা’ ক্ষ ক্ষেপণাস্ত্রটির প্রথম পরীক্ষা চালানো হয়। উচ্চ গতি ও উঁচুতে উড়ন্ত একটি স্টিলথ জ্যাটের কৃত্রিম ইলেকট্রনিক লক্ষ্যবস্তুকে মাঝআকাশে নির্ভুলভাবে ধ্বংস করে এই মিসাইল। এটি মূলত ভারতের ‘মিশন সুদর্শন চক্র’-র অধীনে তৈরি একটি আধুনিক এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম।
কেন গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট ‘কুশা’?
তিনটি ভিন্ন ইন্টারসেপ্টর মিসাইল:
M1 (১২০-১৫০ কিমি): মাঝারি থেকে দীর্ঘ পাল্লার বিমান ও ক্রুজ মিসাইল ধ্বংস করতে সক্ষম।
M2 (২৫০ কিমি): শত্রুপক্ষের ড্রোন, দূরপাল্লার বোমারু বিমান ও স্ট্যান্ড-অফ জামার রুখতে তৈরি।
M3 (৩৫০-৪০০ কিমি): প্রতিপক্ষের যুদ্ধবিমান, AWACS নজরদারি বিমান এবং ব্যালিস্টিক হুমকি আকাশেই নিকেশ করবে।
প্রযুক্তির বিশেষত্ব: ডাবল-পালস সলিড রকেট মোটর, ম্যাক ৫.৫-এর বেশি গতি, এবং অত্যাধুনিক AESA রাডার ও হাইব্রিড (RF/IR) টার্মিনাল সিকার।
স্বনির্ভরতার নয়া মাইলফলক (Kusha Missile)
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এই সাফল্যকে দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণায় মাইলফলক বলে বর্ণনা করেছেন। এই দীর্ঘ পাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির সক্ষমতা বিশ্বের হাতে গোনা কয়েকটি দেশের কাছেই রয়েছে। এর ফলে রাশিয়ার S-400 বা যুক্তরাষ্ট্রের Patriot-এর মতো বিদেশী ব্যবস্থার ওপর দীর্ঘমেয়াদী নির্ভরতা অনেকটাই কমে যাবে।
আরও পড়ুন: Trump Ferma Tariff: ট্রাম্পের শুল্ক নীতি: ভারতীয় জেনেরিক ওষুধের উপর ২০০% শুল্ক চাপানোর হুমকি
তিন স্তরের আকাশ সুরক্ষা (Kusha Missile)
S-400, MRSAM এবং আকাশ (Akash-NG) মিসাইলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কুশা ভারতের আকাশে এক অভেদ্য নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলবে। ভারতীয় বিমান বাহিনীর IACCS নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থেকে এটি একই সাথে একাধিক আকাশপথের হুমকি শনাক্ত ও ধ্বংস করতে পারবে।



