Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : ২২ বছরের বাঙালি মেয়ের ইতিহাস। যা কেউ করতে পারেনি। তাই করে দেখালেন অস্মিতা দে। তার এই কৃতিত্ব ইতিহাসের পাতায় চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ২০২৬ সালের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে (Commonwealth Games 2026) মহিলাদের ৪৮ কেজি জুডো ইভেন্টের ফাইনালে দুর্দান্ত লড়াই করে সোনা জয় করলেন অস্মিতা। কানাডার প্রতিযোগী হেইডি কোয়াচকে পরাজিত করে তিনি এই অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। কমনওয়েলথ গেমসের ইতিহাসে এই প্রথমবার জুডোতে ভারতের কোনও প্রতিযোগী সোনার পদক জিতলেন।
ফাইনালে রূপকথার প্রত্যাবর্তন (Commonwealth Games 2026)
ম্যাচের শুরুটা খুব একটা সহজ ছিল না। ফাইনালে শক্তিশালী কানাডার প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে শুরুতেই পিছিয়ে পড়েন অস্মিতা। একটি সফল থ্রো করার পাশাপাশি অস্মিতা একটি ‘শিদো’ শাস্তিও পান। কিন্তু এতটুকুও আত্মবিশ্বাস হারাননি এই তরুণী জুডোকা। চরম মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়ে তিনি দ্রুত ম্যাচে সমতা ফেরান। এর পর নিজের আগ্রাসী খেলা ও নিখুঁত টেকনিকের মাধ্যমে পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নেন তিনি।
গোল্ডেন স্কোরের লড়াই (Commonwealth Games 2026)
নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হওয়ার পর দুই প্রতিযোগীর স্কোর সমান থাকায় ম্যাচ গড়ায় ‘গোল্ডেন স্কোরে’। সেমিফাইনালের মতো এদিনও চরম চাপের মুহূর্তে স্নায়ুর চাপ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখেন অস্মিতা। ম্যাটের একেবারে শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে এক অভাবনীয় থ্রো করে জয়সূচক পয়েন্ট ছিনিয়ে নেন তিনি। আর এর সঙ্গেই নিশ্চিত হয়ে যায় ভারতের জুডো ইতিহাসের প্রথম কমনওয়েলথ সোনা।
আরও পড়ুন: CAB Mukesh: জন্মভূমির ডাক উপেক্ষা করে বাংলাতেই থাকছেন মুকেশ
অস্মিতার লড়াই (Commonwealth Games 2026)
ইভেন্ট ছিল মহিলাদের ৪৮ কেজি জুডো বিভাগ এবং ফাইনালের প্রতিপক্ষ ছিলেন কানাডার হেইডি কোয়াচ। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে জয় পেয়ে তিনি সোনার পদক অর্জন করেন। এর আগে সেমিফাইনালে স্কটল্যান্ডের সারা অ্যাডলিংটনকে গোল্ডেন স্কোরে পরাজিত করে ফাইনালে প্রবেশ করেছিলেন তিনি।
অস্মিতার (Commonwealth Games 2026) এই ঐতিহাসিক সাফল্য আগামিদিনে ভারতের উদীয়মান ক্রীড়াবিদ এবং বিশেষ করে মেয়েদের জুডোর দুনিয়ায় অনেক দূর এগিয়ে যাওয়ার পথ প্রশস্ত করবে। বাংলার এই কন্যের সাফল্যে আজ গর্বিত গোটা দেশ।



