Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: প্রায় ৫০ বছরে বাংলা শুধুই পিছিয়ে গিয়েছে। মিলন মেলা প্রাঙ্গণে বস্ত্র শিল্প সম্মেলন উদ্বোধনে বাম ও তৃণমূল সরকারকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। দীর্ঘ দিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে রাজ্যকে পুনরায় দেশের শীর্ষ আর্থিক ও শিল্প মানচিত্রে ফিরিয়ে আনতে এ বার বস্ত্রশিল্পকে অন্যতম ‘গ্রোথ ইঞ্জিন’ হিসেবে বেছে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিবর্তনের বাংলায় ডবল ইঞ্জিনের সরকারে আমলে শিল্পপতিদের বাংলায় বিনিয়োগের বার্তা দিলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “৫০ বছরে শুধুই পিছিয়ে গিয়েছে বাংলা।”
মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু অধিকারীর(Suvendu Adhikari)
বস্ত্রশিল্পে সুরাত থেকে কাঁচামাল আমদানির প্রসঙ্গে পূর্বতন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আগের যিনি মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, উনি সুরাতের নাম শুনলেই বলতেন ‘ও তো বাইরের!’ কিন্তু সুরাতের লাভ হলেও সেটা আমাদেরই দেশ।

কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে শিল্পই ভরসা(Suvendu Adhikari)
পশ্চিমবঙ্গে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোই এখন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যে শিক্ষিত ও দক্ষ মানুষের অভাব নেই, প্রয়োজন সরকার, শিল্পপতি এবং ব্যবসায়ীদের সমন্বিত উদ্যোগ। শুভেন্দু বলেন, ”পশ্চিমবঙ্গে বেকার আছেন অনেক। এখানে শিক্ষা মানুষের ক্ষমতা অনেক আছে । এখানে সরকার ব্যবসায়ী সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে তাহলেই রাজ্যের যে খারাপ অবস্থা আছে সেটা ঠিক হবে। বাংলাকে নিয়ে আমি গর্ব করি এই ভূমি স্বামী বিবেকানন্দ চৈতন্য দেবের। এই তিলোত্তমা কলকাতা অধ্যামতিক শিক্ষার মাটি। রোড ম্যাপ ম্যাপ বানাতে হবে কীভাবে খারাপ অবস্থা থেকে বের করা যায় রাজ্যকে।”
আরও পড়ুন: Kolkata Airport: স্কুটিতে করে সোনা পাচারের ছক! বিমানবন্দরেই বড়সড় সোনা উদ্ধার
আইন-শৃঙ্খলার উন্নতিতে জোর
আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ছাড়া শিল্প ও বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, কাটমানি ও তোলাবাজির সংস্কৃতি বন্ধ করাই সরকারের প্রথম লক্ষ্য। তিনি বলেন, ”প্রথম আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক করতে হবে । যেভাবে কাটমানি তোলাবাজি চলেছে সেটা বদল দরকার আগে। কোনো গুণ্ডা গিরি হবে না আর।’ মিলন মেলা প্রাঙ্গণে এদিন আগামী এক থেকে দুই বছরের মধ্যে রাজ্যের অর্থনীতিতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে এবং পশ্চিমবঙ্গ বিনিয়োগকারীদের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হবে বলে আশ্বাস শুভেন্দু অধিকারীর।


