Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আজকালকার সম্পর্কে ‘রেড ফ্ল্যাগ’ (Red Flag Men) শব্দবন্ধটি বেশ জনপ্রিয়। এক কথায় টক্সিক বা বিপজ্জনক সঙ্গীকেই ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়। কোনো মানুষের আচার-ব্যবহার যখন অনর্থক সম্পর্কে মানসিক জটিলতা বা অশান্তি তৈরী করে, তখন তাকে রেড ফ্ল্যাগ হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, বিপদের আঁচ পেয়েও অনেক সময়ই নারীরা বেশি আকর্ষিত হন ‘রেড ফ্ল্যাগ’ স্বভাবের পুরুষদের প্রতিই। ক্ষতিকর জেনেও কেন বারবার এই ফাঁদেই পা দেন নারীরা, তার পেছনে রয়েছে গভীর কিছু মনস্তাত্ত্বিক কারণ।
উত্তেজনা ও রোমাঞ্চের টান (Red Flag Men)
তথাকথিত ‘ব্যাড বয়’ বা রেড ফ্ল্যাগ পুরুষদের (Red Flag Men) জীবনযাত্রায় এক ধরণের অনিশ্চয়তা ও রোমাঞ্চ থাকে। প্রতিদিনের বাঁধাধরা ছকভাঙা এই চরিত্রগুলো প্রথম দেখায় অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও রোমাঞ্চকর মনে হয়। এই অনিশ্চয়তা মস্তিষ্কে ডোপামিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ায়, যা এক ধরনের সাময়িক আনন্দ ও উত্তেজনা তৈরি করে।
পরিবর্তন করার মানসিকতা (Red Flag Men)
অনেক নারীর মধ্যেই একজন ভুল বা অবাধ্য মানুষকে ‘ভালো মানুষে’ রূপান্তর করার বা ‘বাঁচানোর’ (Fixer Persona) প্রবণতা থাকে। তাঁরা মনে করেন, তাঁদের ভালোবাসা ও সান্নিধ্যই পারে সেই পুরুষটির (Red Flag Men) স্বভাব বদলে দিতে। এই জয় করার অনুভূতি অনেক সময় অন্ধ আকর্ষণে পরিণত হয়।
অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ও চার্ম
রেড ফ্ল্যাগ পুরুষরা সাধারণত আত্মবিশ্বাসে ভরপুর হন এবং কথা বলায় অত্যন্ত পারদর্শী হন। সম্পর্কের শুরুর দিকে তাঁরা এত বেশি প্রশংসা ও মনোযোগ দেন (যাকে মনস্তত্ত্বের ভাষায় ‘লাভ বোম্বিং’ বলা হয়), যা যেকোনো মানুষকে মুহূর্তের মধ্যে ভুলিয়ে দিতে যথেষ্ট।
আরও পড়ুন : Relationship Tips : ভালোবাসার মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে একঘেয়েমি? উষ্ণতা ফেরাতে কী করবেন?
অতীতের অভ্যস্ততা
শৈশব বা অতীতের কোনো বিষাক্ত সম্পর্কের অভিজ্ঞতা মানুষকে অবচেতনভাবেই একই ধরণের জটিল সম্পর্কের দিকে ঠেলে দেয়। অনেকে পরিচিত সেই অস্বস্তিকেই ভুল করে নিজের ‘কমফোর্ট জোন’ মনে করেন।
আরও পড়ুন : Netaji: নেতাজির প্রিয় খাবার কী ছিল? ভাত-ডাল থেকে সন্দেশ, জানলে চমকে যাবেন
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সাময়িক রোমাঞ্চ কিংবা আকর্ষণ থাকলেও দীর্ঘমেয়াদে রেড ফ্ল্যাগ পুরুষদের সঙ্গে সম্পর্ক মানসিক স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই ক্ষণিকের অনুভূতির চেয়ে আত্মসম্মান ও পারস্পরিক শান্তিকে গুরুত্ব দেওয়াই শ্রেয়।


