Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবার পৌঁছল দেশের সর্বোচ্চ আদালতে (Abhishek Banerjee)। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, ওই সাংসদরা তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন।

সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ তৃণমূল (Abhishek Banerjee)
অভিষেকের পক্ষ থেকে লোকসভার স্পিকার এবং সেক্রেটারি জেনারেলের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, ওই ২০ সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে পদক্ষেপ করার জন্য লোকসভার স্পিকারের কাছে আবেদন জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত তার ভিত্তিতে কোনও কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। সেই কারণেই সাংসদদের দলত্যাগ সংক্রান্ত বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির দাবিতে সর্বোচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।
কাদের ঘিরে এত বড় রাজনৈতিক বিতর্ক? (Abhishek Banerjee)
এই মামলার কেন্দ্রে রয়েছেন তৃণমূলের একাধিক পরিচিত সাংসদ। কাকলি ঘোষ দস্তিদার, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, শতাব্দী রায় ও সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোট ২০ জন সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগের অভিযোগ সামনে এসেছে। তাঁরা এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন বলে তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে। ফলে তাঁদের সাংসদ পদ বহাল থাকবে কি না, সেই প্রশ্নও রাজনৈতিক মহলে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
দলত্যাগ বিরোধী আইনের প্রয়োগ কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
ভারতের সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে দল পরিবর্তন করলে সাংসদ বা বিধায়কের সদস্যপদ খারিজ হতে পারে। তবে কোনও সাংসদের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষেত্রে লোকসভার স্পিকারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের কাছে আবেদন করা সত্ত্বেও সেই প্রক্রিয়া এগোয়নি।

আরও পড়ুন: Kolkata Police : লালবাজার নয় ! কলকাতার ব্যাঙ্কগুলির নিরাপত্তায় বড় বদল
আজই কি মিলবে আদালতের নির্দেশ?
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা রিট পিটিশন আজ প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে আদালত এই মামলায় কী অবস্থান নেয়, সেটিই এখন নজরে। শুনানিতে স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময়সীমা কিংবা বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে কোনও নির্দেশ আসে কি না, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।



