Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০২৫ সালের ১২ জুন আহমেদাবাদ থেকে লন্ডনের গ্যাটউইকের দিকে ওড়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভেঙে পড়েছিল এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইট AI171। বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনারের এই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ২৪২ জনের মধ্যে ২৪১ জন এবং মাটিতে থাকা ১৯ জনসহ মোট ২৬০ জন নিহত হন। এটি ছিল গত এক দশকের সবচেয়ে প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনাগুলোর একটি(Ahmadabad Plane Crash)।
বহু প্রশ্নের উত্তর অধরা (Ahmadabad Plane Crash)
দুর্ঘটনার এক বছর পরও ভারতের এয়ারক্রাফ্ট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (AAIB) চূড়ান্ত তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করতে পারেনি। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইঞ্জিন ও সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ব্যবস্থার বিশদ পরীক্ষা এখনও চলছে। তাই আপাতত একটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।

গত বছরের প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, উড্ডয়নের মাত্র কয়েক সেকেন্ড পর দুটি ইঞ্জিনের ফুয়েল-কন্ট্রোল সুইচ ‘RUN’ থেকে ‘CUTOFF’ অবস্থায় চলে যায়। ফলে দুই ইঞ্জিনেই জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং বিমান দ্রুত শক্তি হারাতে শুরু করে। পরে সুইচগুলো আবার ‘RUN’ অবস্থায় ফিরিয়ে ইঞ্জিন পুনরায় চালুর চেষ্টা করা হলেও পর্যাপ্ত উচ্চতা না থাকায় বিমানটি উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
ককপিট ভয়েস রেকর্ডারে এক পাইলটকে অন্যজনকে জিজ্ঞাসা করতে শোনা যায়, “তুমি কেন সুইচ বন্ধ করলে?” জবাবে অপর পাইলট বলেন, “আমি তা করিনি।” এই সংলাপকে ঘিরেই তদন্তের মূল প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, সুইচগুলোর অবস্থান পরিবর্তন কি ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়েছিল, নাকি মানবিক ভুল, প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা অন্য কোনো অজানা কারণে ঘটেছিল। পাইলট সংগঠনগুলো পাইলটদের দোষারোপের প্রবণতার বিরোধিতা করে বলেছে, সব প্রযুক্তিগত সম্ভাবনা আগে যাচাই করা উচিত(Ahmadabad Plane Crash)।
আরও পড়ুন: Gorumara Dilip: হাতির পিঠে সস্ত্রীক জঙ্গল সাফারি, গরুমারায় মুগ্ধ মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ
এক বছর পরও নিশ্চিত উত্তর মেলেনি। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট দুই ইঞ্জিনে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার মূল কারণ(Ahmadabad Plane Crash)। এখন অপেক্ষা শুধু সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার: কেন বন্ধ হয়েছিল জ্বালানি?



