Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে (America Shootout) চাঞ্চল্য। এক জনসমক্ষে অনুষ্ঠান চলাকালীন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হলেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহচর ও রিপাবলিকান যুবনেতা চার্লি কার্ক। ঘটনাটি ঘটেছে ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের ওরেম শহরে, ইউটাহ ভ্যালি ইউনিভার্সিটির একটি সভায়।
হঠাৎই গুলির শব্দ (America Shootout)
স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ২০ মিনিট নাগাদ কার্ক বক্তৃতা (America Shootout) দিচ্ছিলেন, সেই সময়ই ঘটে ভয়াবহ ঘটনাটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি বক্তব্য রাখার সময় হঠাৎই গুলির শব্দ শোনা যায়। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, গুলির পরপরই কার্ক তাঁর ঘাড়ে হাত দেন এবং মঞ্চের চেয়ার থেকে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। মুহূর্তের মধ্যে অনুষ্ঠানে হুলুস্থুল পরিস্থিতি তৈরি হয়, আতঙ্কে দর্শকদের দৌড়ঝাঁপ শুরু হয়ে যায়।
গোটা এলাকা ঘিরে তল্লাশি শুরু (America Shootout)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আততায়ী একটি কাছের ভবন (America Shootout) থেকে সুনির্দিষ্টভাবে কার্ককে লক্ষ্য করে একটি মাত্র গুলি চালায়। গুলি তাঁর ঘাড়ে বিদ্ধ হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হলেও তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে। ইতিমধ্যেই গোটা এলাকা ঘিরে তল্লাশি শুরু হয়েছে। তবে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তুলেছে একাধিক মন্তব্য।
ঘটনার তীব্র নিন্দা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ঘটনার তীব্র নিন্দা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, “চার্লি কার্ক ছিলেন এক কিংবদন্তি। তরুণদের মধ্যে তাঁর যে গ্রহণযোগ্যতা ছিল, তা অনন্য। আমি তাঁকে ভালোবাসতাম, সম্মান করতাম। তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন, কিন্তু তাঁর কাজ রয়ে যাবে আমাদের মধ্যে।”

আরও পড়ুন: WB Weather Update: বঙ্গে বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা! ক’দিন হবে বৃষ্টি?
ইউটাহর গভর্নর স্পেনসার কক্স একে সরাসরি “রাজনৈতিক হত্যা” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, “এটি শুধু ইউটাহর নয়, গোটা দেশের জন্য এক শোকাবহ দিন। মতের অমিল থাকতেই পারে, কিন্তু এভাবে কারও জীবন কেড়ে নেওয়া সভ্যতার পথে হেঁটে চলা নয়।”
তদন্ত নিয়ে বিভ্রান্তি
ঘটনায় প্রথমদিকে কিছু বিভ্রান্তি তৈরি হয় তদন্ত নিয়ে। এফবিআইয়ের এক পরিচালক জানান, অভিযুক্ত হেফাজতে রয়েছে। তবে কিছু সময় পরেই ইউটাহ পাবলিক সেফটি কমিশনার জানান, সন্দেহভাজন তখনও পলাতক। ফলে তদন্ত ও তথ্যে সামঞ্জস্য না থাকায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে সরকারি ব্যবস্থাপনা নিয়ে।


