Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের (Arnab Cyclone Landfall) উপকূলে। মঙ্গলবার গভীর রাতে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া বুধবার সকাল পর্যন্ত চলে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্র বা ‘চোখ’ স্থলভাগে প্রবেশ করে। এরপর থেকেই ক্রমশ শক্তি হারাতে শুরু করেছে অর্ণব।
সময়ের সঙ্গে কমবে ঝড়ের তীব্রতা (Arnab Cyclone Landfall)
মঙ্গলবার রাতে কাকীনাডার কাছাকাছি ইয়ানাম (Arnab Cyclone Landfall) উপকূল দিয়ে স্থলভাগে ঢুকতে শুরু করে ঘূর্ণিঝড়টি। সেই সময় ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটারেও পৌঁছয়। স্থলভাগে প্রবেশের পর ঝড়ের গতি কিছুটা কমে যায় এবং সেটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে থাকে। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ঝড়ের তীব্রতা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাতিল বিমান
অর্ণবের প্রভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী একাধিক এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছে। বহু গাছ উপড়ে পড়েছে, ব্যাহত হয়েছে যান চলাচল। খারাপ আবহাওয়ার কারণে বেশ কয়েকটি বিমান বাতিল করা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল-সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ট্রেন চলাচলেও প্রভাব পড়েছে। আনাকাপল্লি, বিশাখাপত্তনম, কাকীনাডা এবং কোনাসীমার বিভিন্ন এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। ওড়িশার গোপালপুর ও পুরী-সহ উপকূলীয় এলাকাতেও ঝড়ের প্রভাব পড়েছে।
আরও পড়ুন: Cyclone Arnab: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের তাণ্ডব, ১৫০ কিমি বেগে আছড়ে পড়ল অন্ধ্র উপকূলে!
পশ্চিমবঙ্গে সরাসরি আছড়ে না পড়লেও অর্ণবের প্রভাবে আবহাওয়ার পরিবর্তন হয়েছে। দিঘা, মন্দারমণি ও শঙ্করপুরে সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আপাতত ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।


