Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দুর্গাপুজোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও পবিত্র (Ashtami Sandhi Puja History) আচার হল সন্ধিপুজো। মহাষ্টমীর শেষ ২৪ মিনিট এবং মহানবমীর প্রথম ২৪ মিনিট-এই মোট ৪৮ মিনিটের বিশেষ সময়কে বলা হয় ‘সন্ধিক্ষণ’। এই সময়েই দেবী দুর্গার বিশেষ আরাধনা করা হয়। শাস্ত্রীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, অষ্টমী ও নবমীর সন্ধিক্ষণেই দেবী চামুণ্ডা রূপে আবির্ভূত হয়ে অসুরবধ করেছিলেন। তাই এই সময়টিকে অত্যন্ত শক্তিশালী ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়।
কী বলছে পুরাণ? (Ashtami Sandhi Puja History)
পুরাণের কাহিনি অনুযায়ী, মহিষাসুরের (Ashtami Sandhi Puja History) সঙ্গে যুদ্ধের পাশাপাশি দেবীকে চণ্ড ও মুণ্ড নামে দুই অসুরের সঙ্গেও লড়াই করতে হয়েছিল। দেবীর কপাল থেকে আবির্ভূত হন এক ভয়ংকরী শক্তি, যিনি চণ্ড ও মুণ্ডকে বধ করেন। এরপর তাঁর নাম হয় ‘চামুণ্ডা’। সেই বিজয়ের স্মৃতিতেই সন্ধিক্ষণের এই বিশেষ পুজোর প্রচলন বলে ধর্মীয় বিশ্বাস।

১০৮ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন (Ashtami Sandhi Puja History)
সন্ধিপুজোয় ১০৮টি প্রদীপ জ্বালানো এবং ১০৮টি পদ্ম নিবেদনের রীতি বহু জায়গায় দেখা যায়। অনেক বনেদি বাড়ি ও পুজোমণ্ডপে এই সময়ে বিশেষ মন্ত্রোচ্চারণ, ঢাকের বাদ্যি এবং আরতির আয়োজন করা হয়। কোথাও কোথাও প্রাচীন প্রথা অনুসারে বলির রীতিও রয়েছে, যদিও বর্তমানে বহু পুজোয় তার পরিবর্তে প্রতীকী নিবেদন করা হয়।

আরও পড়ুন: Asian Games Gold 2026: সোনার সকাল ভারতের, কুমকুমের তিরে সোনা, প্রণবীর শটে ইতিহাস…
বাঙালির কাছে পুজো মানে শুধু খাওয়া দাওয়া আর সেজেগুজে ঘুরে বেড়ানো নয়, অষ্টমীর অঞ্জলি আর সন্ধিপুজো এক বিশেষ রীতি। বাঙালি কিছুতেই অষ্টমী আর সন্ধিপুজোর অঞ্জলি মিস করবেই না। নবমী নিশি মন খারাপের হলেও আনন্দ আর পরের বছরের অপেক্ষা সঙ্গে করে নিয়ে আসে। তাই অষ্টমী ও নবমীর এই সন্ধিক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ আপামর বাঙালির কাছে।

