Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রথযাত্রা এলেই দেশজুড়ে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয় (Jagannath Dev Puja) মহাপ্রভু জগন্নাথের আরাধনা। পুরীর শ্রীমন্দির থেকে শুরু করে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ভক্তরা নিষ্ঠার সঙ্গে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার পুজো করেন। তবে শাস্ত্র এবং দীর্ঘদিনের মন্দির-পরম্পরা অনুযায়ী, মহাপ্রভুর পুজোয় সব ফুল ব্যবহার করা যায় না। কিছু নির্দিষ্ট ফুল ও পাতা অর্পণ করলেই তিনি বিশেষভাবে প্রসন্ন হন।
তুলসী পাতা (Jagannath Dev Puja)
জগন্নাথদেবকে শ্রীবিষ্ণু বা শ্রীকৃষ্ণের রূপ (Jagannath Dev Puja) হিসেবে মানা হয়। সেই কারণে তাঁর পুজোয় তুলসী পাতার গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তুলসী ছাড়া জগন্নাথের পূজা বা ভোগ নিবেদনকে অনেকেই অসম্পূর্ণ বলে মনে করেন। পাশাপাশি পদ্ম ফুলও অত্যন্ত শুভ বলে বিবেচিত হয়। বিশ্বাস করা হয়, ভক্তিভরে পদ্ম অর্পণ করলে ঈশ্বরের আশীর্বাদ লাভ করা যায়।
আর কোন ফুল? (Jagannath Dev Puja)
এ ছাড়াও মালতী, জুঁই, চাঁপা, টগর, শিউলি, কদম্ব এবং রজনীগন্ধার মতো সুগন্ধি ফুল জগন্নাথদেবের পুজোয় ব্যবহৃত হয়। পুরীর মন্দিরে প্রতিদিন দেবমূর্তির সাজসজ্জা ও মালা তৈরিতে এই ফুলের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। গবেষকদের মতে, তুলসীর পাশাপাশি ‘দয়ানা’ নামে একটি সুগন্ধি পাতাও মহাপ্রভুর সেবায় ব্যবহৃত হয়। রাতের শয়নের আগে সুগন্ধি ফুল ও তুলসী দিয়ে তৈরি বিশেষ ‘বনমালা’ পরানোরও প্রাচীন রীতি রয়েছে।
কোন ফুলে না?
অন্যদিকে, কিছু ফুল জগন্নাথ পুজোয় অর্পণ করা নিষিদ্ধ বলে শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে। ধুতুরা ও আকন্দ, যা সাধারণত শিবপুজোয় ব্যবহৃত হয়, জগন্নাথের আরাধনায় ব্যবহার করা হয় না। একইভাবে লাল জবা এবং কেতকী ফুলও এই পুজোয় বর্জনীয় বলে ধরা হয়।
আরও পড়ুন: Aamir Khan Marriage: তৃতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে আমির খান, কতটা পারফেক্ট তার সঙ্গিনী?
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, আন্তরিক ভক্তি নিয়ে একটি তুলসী পাতা ও একটি তাজা পদ্ম ফুল অর্পণ করলেও মহাপ্রভু জগন্নাথ ভক্তের প্রার্থনা গ্রহণ করেন এবং সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধির আশীর্বাদ প্রদান করেন।


