Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কেন্দ্র সরকারের অ্যাপয়েন্টমেন্টস কমিটি অব দ্য ক্যাবিনেট (ACC) বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরির চাকরির মেয়াদ আরও এক বছরের জন্য বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে(Bikram Misri)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তিনি ১৪ জুলাই ২০২৭ পর্যন্ত অথবা পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিদেশ সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
চাকরির মেয়াদ বাড়ল বিক্রম মিসরির (Bikram Misri)
১৯৮৯ ব্যাচের ভারতীয় বিদেশ পরিষেবা (IFS)-এর কর্মকর্তা বিক্রম মিসরি ১৫ জুলাই ২০২৪ সালে বিদেশ সচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর বর্তমান মেয়াদ ১৪ জুলাই ২০২৬-এ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার তাঁকে আরও এক বছর এই পদে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
দীর্ঘ কূটনৈতিক জীবনে মিসরি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক, প্রধানমন্ত্রীর দফতর (PMO) এবং ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার একাধিক ভারতীয় মিশনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। নয়াদিল্লিতে কর্মরত অবস্থায় তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রকের পাকিস্তান ডেস্কে কাজ করেন এবং প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী আই. কে. গুজরাল ও প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দফতরেও দায়িত্ব সামলান।
তিনি আই. কে. গুজরাল, ড. মনমোহন সিং এবং নরেন্দ্র মোদীর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবেও কাজ করেছেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী দফতরে যুগ্ম সচিব এবং ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত উপ-জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (কৌশলগত বিষয়) পদেও ছিলেন।
বিদেশে তাঁর উল্লেখযোগ্য দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে ব্রাসেলস, তিউনিস, ইসলামাবাদ, ওয়াশিংটন ডিসি, শ্রীলঙ্কা ও মিউনিখে বিভিন্ন কূটনৈতিক পদ। এছাড়া তিনি স্পেন, মায়ানমার এবং ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত চীনে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
শ্রীনগরে জন্ম নেওয়া মিসরি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু কলেজ থেকে ইতিহাসে স্নাতক এবং এক্সএলআরআই, জামশেদপুর থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বিজ্ঞাপন সংস্থাতেও কাজ করেছিলেন(Bikram Misri)।
আরও পড়ুন: BJP CONG Khamenei Funeral: ইরানে খামেনেইয়ের শেষকৃত্য: মোদির পর এবার বিজেপি-কংগ্রেস নেতাদের আমন্ত্রণ
হিন্দি, ইংরেজি ও কাশ্মীরি ভাষায় সাবলীল মিসরি বর্তমানে ভারতের অন্যতম অভিজ্ঞ কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত(Bikram Misri)। তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এল, যখন পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।



