Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গ্রেফতারির সময় অমানবিক আচরণ ও শারীরিক (BJP Leader Arrest) নির্যাতনের অভিযোগে তীব্র বিতর্কে জড়াল কর্নাটকের পুলিশ। হুবলিতে এক বিজেপি মহিলা নেত্রীকে গ্রেফতারের সময় বিবস্ত্র করে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযোগের সঙ্গে যুক্ত একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।
গ্রেফতার করার সময় চরম নির্যাতন (BJP Leader Arrest)
অভিযোগকারী বিজেপি নেত্রীর (BJP Leader Arrest) দাবি, কেশওয়াপুর থানার পুলিশকর্মীরা তাঁকে গ্রেফতার করার সময় চরম নির্যাতন চালান। প্রকাশ্যে, বহু মানুষের সামনে তাঁকে পোশাক খুলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, একটি বাসের ভিতরে পুরুষ পুলিশকর্মীদের উপস্থিতিতেই কয়েক জন মহিলা পুলিশকর্মী ওই নেত্রীকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করছেন। যদিও এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করা হয়নি।
তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু (BJP Leader Arrest)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় ভোটার তালিকার (BJP Leader Arrest) বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) কর্মসূচি চলছিল। সেই সময় বিজেপি ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়, ওই বিজেপি কর্মী বুথ স্তরের আধিকারিকদের নিয়ে গিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে আটক ও গ্রেফতার করে বলে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: Horoscope Today: বুধবার সৌভাগ্য যোগে বদলাতে পারে ভাগ্য, কী বলছে রাশিফল?
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়
তবে পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, গ্রেফতারের সময় ওই মহিলা নেত্রী পুলিশকর্মীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পুলিশের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, ইচ্ছাকৃত ভাবে কোনও নির্যাতন করা হয়নি। হুবলির পুলিশ কমিশনার শশী কুমার দাবি করেছেন, ওই বিজেপি নেত্রীর বিরুদ্ধে আগেও একাধিক মামলা রয়েছে। তাঁর আরও বক্তব্য, গ্রেফতারের সময় ওই নেত্রী নাকি নিজেই নিজের পোশাক খুলে ফেলেন।
নতুন করে বিতর্ক
এই দাবি ঘিরেই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা পুলিশের বক্তব্যকে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, একজন মহিলার সঙ্গে এই ধরনের আচরণ শুধুমাত্র আইনবিরোধী নয়, সম্পূর্ণ অমানবিক। তাঁরা এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন।


