Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পলাশ নস্কর, নিউটাউন: রাজ্যের একাধিক জ্বলন্ত ইস্যু (BJP MLA Dilip Ghosh) নিয়ে বরাবরের মতোই অকপট দিলীপ ঘোষ। রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধানরা অনেকেই অফিসে আসা বন্ধ করে দিয়েছেন এই অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের একাধিক জায়গায়।
পঞ্চায়েত প্রধানদের হুঁশিয়ারি দিলীপের (BJP MLA Dilip Ghosh)
এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “২০০০ পঞ্চায়েত প্রধান অফিসে (BJP MLA Dilip Ghosh) আসা বন্ধ করে দিয়েছেন। ১১৪ জন পঞ্চায়েত প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। ৮৯ জন উপ প্রধান ইস্তফা দিয়েছেন। আমি ভিডিও কনফারেন্স করেছি ২৬ জন পঞ্চায়েত প্রধানের সঙ্গে। তাদের কাছে আবেদন করেছি আপনারা কাজ করুন। সাধারণ মানুষ সাফার করছেন। একটা সার্টিফিকেটের জন্য দরজায় দরজায় ঘুরছে। তারা আপনাদের জিতিয়েছিলন। মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার জন্য জিতিয়েছিলেন। আপনারা ডিমের ভয়ে আসছেন না। এটা করবেন না। মানুষকে পরিষেবা দিন। আমরা আপনাদের প্রোটেকশন দেব। ডিম তো কিছুই নয়। এরপর বাড়ি ঘেরাও করে পাবলিক ইট মারবে। হয় আপনারা ইস্তফা দিন। অথবা অফিসে আসুন। আমরা নিরাপত্তা দেব। আমি বিডিও দের বলেছি কারা কারা আসছেন না আপনারা দেখুন। নাহলে কিন্তু আমাদের লোকেরা বাড়ি ঘিরে ইট মারবে। আপনারা সমাজবিরোধীদের মতো আচরণ করছেন। সাধারণ মানুষকে কষ্ট দেওয়ার অধিকার আপনাদের নেই। ওরা আসলে দেখাতে চাইছে বিজেপি জেতার পর মানুষ পরিষেবা পাচ্ছে না। ৮০ শতাংশ গ্রামীণ এলাকা পঞ্চায়েত প্রধানদের হাতে আছে। তৃণমূল প্রধানরা যদি মনে করে পরিষেবা না দিয়ে বিজেপির বদনাম করাবে তাহলে বাড়ি থেকে টেনে নিয়ে এসে পাবলিক পিটবে। এরইমধ্যে ভিব জি রাম জি কাজ শুরু হয়েছে। প্রধানদের সই ছাড়া টাকা ঢুকবে না। সহযোগিতা করুন। নাহলে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে এসে রিজাইন করাবো। নতুন করে পঞ্চায়েত নির্বাচন করাবো।”
কলকাতা পুরসভায় অচলাবস্থা কাটাতে পুরভোটের (BJP MLA Dilip Ghosh) আগে পর্যন্ত পুর প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে স্মিতা পান্ডেকে। পঞ্চায়েত মন্ত্রী হিসেবে কিছু করা যায় না?
“সব রাস্তা খোলা। সব কথা চলছে। মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্য সচিবের (BJP MLA Dilip Ghosh) সঙ্গে আমি কথা বলেছি। দিল্লি গিয়ে গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। সমস্যা গুলো জানিয়েছি। উনি বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত মন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। আমরা গণতান্ত্রিক ভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধিকে আমরা এক্ষুনি সরাতে চাইনা। আমরা চাই তারা মানুষের ভোট মানুষের টাকা লুঠ করেছেন। এবার অন্ততঃ মানুষকে পরিষেবা দিন। যদি না করেন একেকজনের নামে FIR করব এবং বাড়ি থেকে কোমরে দড়ি বেঁধে নিয়ে আসব। ভালোয় ভালোয় কাজ শুরু করুন। নাহলে আঙুল কীভাবে বাঁকা করতে হয় আমরা ভালো জানি। যদি একটা রাজ্য সরকারকে আমরা সরাতে পারি তাহলে একটা পঞ্চায়েত প্রধান কে পারব না?”
বারুইপুরে মুখ্যমন্ত্রীর যাবার কথা (BJP MLA Dilip Ghosh) মঙ্গলবার। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সিপিএম এর সময় ৪৫ হাজার খুন হয়েছে বাংলায়। আমি মেদিনীপুরের ছেলে। জমি খুঁড়লে হাড়গোড় বেরোবে। তৃণমূল খুন ধর্ষনে সিপিএমের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। আমরা সবার ইতিহাস জানি। আমরা জেতার পর ইচ্ছা হলে হাজার হাজার লোককে ঘরছাড়া করতে পারতাম। কিন্তু একটা লোকের গায়ে হাত দিতে দিইনি। তারা এখন বারুইপুর গিয়ে যে ড্রামা করছেন সেটা এক্ষুনি বন্ধ করুন। সংখ্যালঘু বলে আপনাদের গা গরম করছেন? দিনের পর দিন হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণ করা হয়েছে। বিজেপি কর্মীরা খুন হয়েছেন। কাউকে যেতে দেখিনি। মুসলমানের কেস বলে তোমাদের গায়ে ছেঁকা লাগছে? এতো পিরিত কেন? তোমরা তো মুসলমানের সব ভোট পেয়েও জিততে পারো নি। হিন্দুরা ভোট দিয়ে আমাদের জিতিয়েছে। মমতা ব্যানার্জি, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কটা নিপীড়িতের বাড়ি গেছিলেন? বগটুইতে যাদের পুড়িয়ে মারা হয়েছিল তারা সবাই মুসলমান ছিল। তখন এই মুসলমান গুলো কোথায় ছিল? তখন রাস্তায় নামেনি কেন? তৃণমূল তোমার বাপ আর বিজেপি তোমার সৎ বাপ। বেশি বাড়াবাড়ি করোনা। পুলিশের রূপ দেখেছ তো? পুলিশ পাল্টে গেছে কিন্তু। বিজেপি কে কাজ করতে দিন। মুখ্যমন্ত্রীর ওপর ভরসা রাখুন। শান্তিতে থাকার জন্য মানুষ বিজেপি কে এনেছে। যারা অশান্তি করবে তাদের দাওয়াই আমাদের জানা আছে।
আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির চক্রান্ত হয়েছে? (BJP MLA Dilip Ghosh)
“এটা পরিষ্কার। রাস্তায় যেভাবে আগুন জ্বালানো হয়েছে সবাই দেখেছে। আর জি করের সময় সেম হয়েছিল। সরকারের দুই মাস বয়স হয়নি। সরকারের সদিচ্ছা লক্ষ্য রাখুন। কজন দোষী সাজা পেত? একরাতের মধ্যে কটা অ্যারেস্ট অতীতে হয়েছে? ড্রামা বন্ধ করুন। আমাদের কাজ করতে দিন।”


