Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গুজরাটের খেদা জেলায় বুথ স্তর অফিসার (Blo Died) হিসেবে দায়িত্ব পালন করা এক স্কুল শিক্ষকের মৃত্যু ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাতের পর থেকেই তাঁকে নিয়ে দুশ্চিন্তা তৈরি হয় পরিবারের মধ্যে। সকালে বহুবার ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তাঁকে তড়িঘড়ি স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মৃত শিক্ষক ছিলেন সরকারি স্কুলের কর্মী (Blo Died)
খেদা জেলার কাপডভঞ্জ তালুকের একটি সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন তিনি। পেশার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএলও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরিবারের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে এই দায়িত্বের চাপ বহুগুণ বেড়ে গিয়েছিল।
নেটওয়ার্ক সমস্যা, রাত গভীর পর্যন্ত কাজ (Blo Died)
গ্রামাঞ্চলে নেটওয়ার্ক সংকটের কারণে তাঁকে প্রায়ই আত্মীয়ের বাড়ি গিয়ে কাজ করতে হত। মৃত্যুর আগের রাতেও তিনি সেখানে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কাজ করেন বলে জানা গেছে। এরপর নিজ বাড়িতে ফিরে খাবার খেয়ে শুয়ে পড়েন, কিন্তু পরদিন সকালে আর ওঠেননি। পরিবারের এক সদস্যের কথায়, “কাজের জন্য প্রচুর চাপ ছিল। রাতদিন কাজ করতে হচ্ছিল। আমাদের মনে হয়, অতিরিক্ত স্ট্রেসেই তাঁর শরীর ভেঙে পড়ে।” একই মত শিক্ষকটির মেয়েরও।
অতিরিক্ত চাপ থেকেই হৃদরোগ? (Blo Died)
প্রাথমিকভাবে অনুমান, ঘুমের মধ্যে হৃদরোগেই মৃত্যু হয়েছে শিক্ষকের। পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, অতিরিক্ত কাজের চাপই তাঁর মৃত্যুর অন্যতম কারণ হতে পারে। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব ঘিরে স্ট্রেস বেড়ে যাওয়ায় তাঁর শারীরিক অবস্থার ওপর প্রভাব পড়েছিল বলেই তাঁদের ধারণা।
উঠে আসছে একই অভিযোগ (Blo Died)
এর আগেও পশ্চিমবঙ্গ, কেরালা, রাজস্থানসহ কয়েকটি রাজ্যে বিএলও–দের মৃত্যুর পর পরিবারের পক্ষ থেকে একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন প্রস্তুতির সময় বাড়তি দায়িত্ব, নথি আপলোড, তথ্য যাচাই সব মিলিয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের ওপর চাপ বাড়ছে বলে অভিযোগ।

আরও পড়ুন: MEPSC: প্রি-স্কুল ট্রেনিং-এ ভারতীয় শিক্ষাব্যবস্থার সংযোজন, মৌ স্বাক্ষরিত হল MEPSC ও BRC-র মধ্যে
প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো প্রতিক্রিয়া নেই
এই ঘটনার বিষয়ে খেদা জেলার জেলাশাসকের দপ্তর থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাটি সামনে আসার পর আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে নির্বাচনী কাজে নিযুক্ত মাঠপর্যায়ের কর্মীদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি।



