Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: যুক্তরাষ্ট্রের রোড আইল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে (Brown University Firing) ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটেছে।
পরীক্ষা চলাকালীন চালানো এই হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ৮ জন।
ঘটনাটি ঘিরে পুরো বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা জুড়ে তৈরি হয়েছে চরম আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠা।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রথম হামলার খবর জানতে পারে (Brown University Firing)
স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ৫ মিনিটের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ (Brown University Firing) প্রথম হামলার খবর জানতে পারে। জরুরি নম্বর ৯১১–এ ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ ও জরুরি উদ্ধারকারী দল।রোড আইল্যান্ডের মেয়র ব্রেট স্মাইলি এক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।তিনি বলেন, “বিকাল চারটা পাঁচ মিনিটে আমরা প্রথম জরুরি কল পাই। এই মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলতে পারি, দুজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং অন্তত আটজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে হতাহতের সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে।” মেয়র স্মাইলি আরও জানান, হামলাকারীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত করা যায়নি এবং পুরো ঘটনা তদন্তাধীন রয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য (Brown University Firing)
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার সময় সন্দেহভাজন (Brown University Firing) ব্যক্তি কালো রঙের পোশাক পরিহিত ছিলেন।
গুলিবর্ষণের পর তিনি পায়ে হেঁটে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এখনো পর্যন্ত পুলিশ কোনো অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি।হামলার কিছুক্ষণ পর, বিকাল ৪টা ২২ মিনিটের দিকে, ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী ও কর্মীদের উদ্দেশ্যে একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করে।বার্তায় জানানো হয় বারুস এবং হোলে ইঞ্জিনিয়ারিং ও ফিজিক্স ভবনের আশপাশে সক্রিয় বন্দুকধারী থাকতে পারে।

বন্দুকধারীকে সেখানে পাওয়া যায়নি
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দরজা বন্ধ রাখতে, ফোন সাইলেন্ট করতে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ নিজ অবস্থানে লুকিয়ে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।এই ঘোষণার পর পুরো ক্যাম্পাস কার্যত লকডাউনের আওতায় চলে যায়।শ্রেণিকক্ষ, পরীক্ষাকেন্দ্র ও প্রশাসনিক ভবনগুলোতে দেখা যায় চরম আতঙ্ক।পরে পুলিশ উল্লিখিত ভবনগুলোতে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান চালালেও কোনো বন্দুকধারীকে সেখানে পাওয়া যায়নি। হামলাকারী কীভাবে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলো এবং কীভাবে নিরাপত্তা এড়িয়ে বেরিয়ে গেল, তা এখনো রহস্যজনক।
ঘটনার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে একটি খবর ছড়িয়ে পড়ে, হামলাকারীকে নাকি আটক করা হয়েছে।তবে পুলিশ এই তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। ফলে বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয় বিভ্রান্তি। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমে এক বক্তব্যে বন্দুকধারী আটকের ইঙ্গিত দিলেও,
পরবর্তীতে তিনি সেই বক্তব্য থেকে সরে আসেন।
কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক
এদিকে আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শিক্ষার্থী ও কর্মীদের নিরাপত্তাই তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ, ফেডারেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।


