Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জাহাঙ্গীর বাদশা, পূর্ব মেদিনীপুর: জেলা পুলিশ সুপারের (Cannabis Seizure) নির্দেশে মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল পুলিশ। পাঁশকুড়া থানার সিদ্ধা বাজার এলাকায় মুম্বাই রোডে অভিযান চালিয়ে একটি ব্যক্তিগত গাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ প্রায় ১৩৮ কেজি।
ফিল্মি কায়দায় পাকড়াও (Cannabis Seizure)
জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা (Cannabis Seizure) পুলিশের SOG Cell-এর নেতৃত্বে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ সিদ্ধা বাজার এলাকায় মুম্বাই রোডে অভিযান চালায়। সেই সময় একটি Kia Seltos গাড়িকে সন্দেহ হওয়ায় সেটিকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। অভিযোগ, পুলিশকে দেখে গাড়িটি দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে শুরু হয় ধাওয়া। এরপর ফিল্মি কায়দায় গাড়িটির পিছু নিয়ে সেটিকে আটক করে পুলিশ।
গ্রেফতার ২ (Cannabis Seizure)
গাড়িতে তল্লাশি চালাতেই উদ্ধার হয় বিপুল (Cannabis Seizure) পরিমাণ গাঁজা। পুলিশ গাঁজা-সহ গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করে এবং গাড়িতে থাকা দু’জনকে গ্রেফতার করে পাঁশকুড়া থানায় নিয়ে যায়। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া দু’জন হলেন-কার্তিক কুমার ঘোষ, পিতা কমলা কান্ত ঘোষ, বাড়ি রাইবুনিয়া, ওড়িশা এবং এসকে সেপাকাত আলি, পিতা এসকে মুসারফ, বাড়ি দাতন, পশ্চিম মেদিনীপুর।
চলছে তদন্ত
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, গাড়িটি ওড়িশার জলেশ্বর থেকে কলকাতার দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় পাঁশকুড়ার সিদ্ধা বাজার এলাকায় পুলিশের অভিযানে গাড়িটি ধরা পড়ে। তবে ঠিক কোথা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং কলকাতায় কোথায় তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তা এখনও তদন্তসাপেক্ষ।
আরও পড়ুন: Onion Price: সরকারের দারুন উদ্যোগ, কমতে পারে পেঁয়াজের দাম!
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেফতার হওয়া দু’জনকে আগামী ২৮ আগস্ট তমলুক জেলা আদালতে পেশ করা হবে। আদালতের কাছে তাদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হতে পারে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই মাদক পাচার চক্রের সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, গাঁজার উৎস কোথায় এবং কোথায় তা সরবরাহ করার কথা ছিল-এই সমস্ত বিষয় জানার চেষ্টা করবে তদন্তকারীরা।
বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পাঁশকুড়া এলাকায়। মাদক পাচারের এই চক্রের পিছনে আরও কোনও বড় নেটওয়ার্ক রয়েছে কি না, এখন সেটাই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


