Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জ্যোতিষবীদদের মতে, সূর্য দেবতা ও ষষ্ঠী মাইয়ের আরাধনায় চার দিনের এই মহাপর্ব পালন করা হয় কার্তিক মাসের শুক্লপক্ষে চতুর্থী থেকে সপ্তমী তিথি পর্যন্ত (Chhath Puja 2025)। ২০২৫ সালে ছট উৎসব শুরু হচ্ছে ২৫ অক্টোবর শনিবার থেকে।

প্রথম দিন – নহায় খায় (Chhath Puja 2025)
কার্তিক মাসের শুক্ল চতুর্থীতে পালন করা হবে ‘নহায় খায়’। এই দিনটিকে শুদ্ধিকরণের দিন বলা হয়।
ভক্তরা নদী, পুকুর বা জলাশয়ে স্নান করে নিজেদের শুদ্ধ করেন। তারপর এক বেলা সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করা হয়। ঐতিহ্য অনুযায়ী এই দিনে লাউ-ভাত ও ছোলার ডাল খাওয়া হয়, যা পরিশুদ্ধ জীবনের প্রতীক।

দ্বিতীয় দিন – খরনা (Chhath Puja 2025)
কার্তিক মাসের শুক্ল পঞ্চমীতে পালিত হয় ‘খরনা’। এই দিন ব্রতী মহিলারা সারা দিন নির্জলা উপবাস পালন করেন। সূর্যাস্তের পর গুড় দিয়ে তৈরি ক্ষীর বা পায়েস, রুটি ও ফল দিয়ে উপবাস ভঙ্গ করা হয়।
এই প্রসাদ গ্রহণের পরই শুরু হয় ৩৬ ঘণ্টার কঠোর নির্জলা উপবাস, যা ছট ব্রতের মূল অংশ।
তৃতীয় দিন – সন্ধ্যা অর্ঘ্য (Chhath Puja 2025)
কার্তিক মাসের শুক্ল ষষ্ঠীতে অস্তগামী সূর্যকে অর্ঘ্য নিবেদন করা হয়। সন্ধ্যা ৫টা ৪০ মিনিট নাগাদ ভক্তরা কোমর পর্যন্ত জলে দাঁড়িয়ে সূর্য দেবতাকে অর্ঘ্য দেন। বাঁশের কুলো বা ডালায় সাজানো হয় ঠেকুয়া, আখ, নারকেল, কলা ও ফলমূল। এই দিনে সূর্য দেবকে ধন্যবাদ জানানো হয় পরিবারের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রার্থনায়।
আরও পড়ুন: Mount Everest: নেপাল নয়, ভারত থেকেই দেখা গেল মাউন্ট এভারেস্ট কীভাবে সম্ভব?
চতুর্থ দিন – ঊষা অর্ঘ্য (Chhath Puja 2025)
কার্তিক মাসের শুক্ল সপ্তমীতে উদীয়মান সূর্যকে অর্ঘ্য নিবেদন করা হয়। ভোর ৬টা ৩০ মিনিট নাগাদ সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে ভক্তরা পুনরায় নদীর ঘাটে গিয়ে অর্ঘ্য দেন। এর পর ব্রতী মহিলারা প্রসাদ গ্রহণ করে ৩৬ ঘণ্টার উপবাস ভঙ্গ করেন। এই পর্বের মধ্য দিয়েই সম্পন্ন হয় চার দিনের আস্থা, শক্তি ও শুদ্ধতার মহা উৎসব ছট পুজো।



