Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মহারাষ্ট্রের এক গ্রামে ঘটে গেল শিউরে (Child Murder Case) ওঠার মতো ঘটনা, যেখানে ক্ষমতার লোভ মানবিকতাকেও হার মানাল। পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার শর্ত পূরণ করতে গিয়ে নিজেরই সন্তানের প্রাণ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নান্দেড় জেলার মুখেড় তালুকের কেরুর গ্রামের।
রাজনৈতিক স্বপ্নের পথে বড় বাধা (Child Murder Case)
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত (Child Murder Case) যুবকের সংসারে ছিল তিন সন্তান-দুই মেয়ে ও এক ছেলে। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন থাকায় প্রধান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ইচ্ছা ছিল তাঁর। কিন্তু মহারাষ্ট্রে পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিয়ম অনুযায়ী, দু’য়ের বেশি সন্তান থাকলে কেউ প্রার্থী হতে পারেন না। এই শর্তই তাঁর রাজনৈতিক স্বপ্নের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা (Child Murder Case)
তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা ধীরে ধীরে এমন ভয়ংকর রূপ নেয় যে অভিযুক্ত নিজের সন্তানকেই ‘বাধা’ হিসেবে দেখতে শুরু করেন। গত ২৯ জানুয়ারি তিনি এক কন্যাকে বাইকে করে প্রতিবেশী নিজ়ামাবাদ জেলার দিকে নিয়ে যান। অভিযোগ, সেখানে একটি খালে শিশুটিকে ফেলে দিয়ে তিনি চম্পট দেন। কিছুক্ষণ পর স্থানীয় বাসিন্দারা খালে ভাসতে থাকা শিশুর দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন।
আরও পড়ুন: Workplace Tragedy: গলায় জড়ালেন মাফলার, মাফলারেই মৃত্যু!
সন্দেহ ঘনীভূত
শিশুটির পরিচয় জানতে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় ছবি ছড়িয়ে দেয়। সেই ছবি কেরুর গ্রামে পৌঁছতেই গ্রামবাসীরা তাকে শনাক্ত করেন। একই সঙ্গে জানা যায়, অভিযুক্তের এক সন্তান দু’দিন ধরে নিখোঁজ। সন্দেহ ঘনীভূত হওয়ায় পুলিশ তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। সেখানেই নাকি ভেঙে পড়ে নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেন তিনি।
চাঞ্চল্যকর তথ্য
আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে তদন্তে। জানা যায়, বর্তমান পঞ্চায়েত প্রধান অভিযুক্তের এক সন্তানকে দত্তক নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, যাতে তিনি নির্বাচনে দাঁড়াতে পারেন। কিন্তু সেই প্রস্তাব মানেননি যুবক। বরং নিজের ‘রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ’ সুনিশ্চিত করতে নির্মম পথ বেছে নেন। এমনকি ঘটনার পর সন্তান নিখোঁজ দেখিয়ে ডায়েরিও করেছিলেন তিনি।


