Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতায় সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর (Chorbagan Sarbojanin Stampede) আনন্দের মধ্যেই ঘটে গেল দুর্ঘটনা। চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসবের মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে আসা দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত ভিড়ের জেরে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। সেই ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের আঘাত গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।
হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী (Chorbagan Sarbojanin Stampede)
এই ঘটনায় এক পুলিশ আধিকারিকও সংজ্ঞা (Chorbagan Sarbojanin Stampede) হারিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আহতদের দ্রুত কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। পরিস্থিতির খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
কী হয়েছিল? (Chorbagan Sarbojanin Stampede)
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে দর্শনার্থীদের ব্যাপক ভিড় জমেছিল। মানুষের চাপে কার্যত জায়গা পাওয়া যাচ্ছিল না। সেই সময় মণ্ডপের কোনও অংশ বা কাঠামো ভেঙে পড়েছিল কি না, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, আচমকা বিপত্তির জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রাণ বাঁচাতে ছোটাছুটি শুরু করেন দর্শনার্থীরা। আর সেই হুড়োহুড়িতেই অনেকে পড়ে গিয়ে আহত হন।
ঘটনার পর পুজোমণ্ডপে ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও দর্শনার্থীদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত থাকলেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিকভাবে যথাযথ উদ্যোগ দেখা যায়নি। এমনকী, ঘটনাস্থলে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এলাকার বাসিন্দাদের আরও অভিযোগ, পুজোর আয়োজনের জন্য স্থানীয়দের গাড়ি সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাঁদের দাবি, জরুরি পরিস্থিতিতে সেই গাড়িগুলি ব্যবহার করা গেলে আহতদের দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হত। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং উদ্ধারকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন।
চোরবাগানে এখনও পর্যন্ত মতৃদের মধ্যে সনাক্ত করা গিয়েছে:
আরতি সরকার বিশ্বাস, চাকদার বাসিন্দা।
শুভম সোনকার, জোড়াবাগানের বাসিন্দা। বৈদ্যবাটির বাসিন্দা শ্রীপর্ণা পোদ্দার।
নিউ ব্যারাকপুরের বাসিন্দা প্রিয়া সমাদ্দার। কুমোরটুলির বাসিন্দা মিঠু পাল।
এখনও পর্যন্ত ১৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে।


