Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মিম হিসেবে শুরু হলেও এখন তা কার্যত সোশ্যাল (Cockroach Janta Party) মিডিয়ার এক নতুন রাজনৈতিক ‘ফেনোমেনন’। ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের নিরিখে দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল বিজেপি ও কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে শিরোনামে উঠে এসেছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ বা CJP। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই এই ব্যঙ্গধর্মী অনলাইন প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয়তা এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তাদের ফলোয়ার সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ১ কোটি ৩৭ লক্ষ। যেখানে বিজেপির ফলোয়ার প্রায় ৮৭ লক্ষ এবং কংগ্রেসের ১ কোটি ৩৩ লক্ষের কাছাকাছি।
প্রকাশ্যে নেতাদের সমর্থন (Cockroach Janta Party)
প্রথমদিকে বিষয়টিকে নিছক ট্রোল বা মজার (Cockroach Janta Party) কনটেন্ট হিসেবে দেখলেও, সময়ের সঙ্গে এর প্রভাব বাড়তে থাকে। যুব সমাজের মধ্যে বিশেষভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে CJP। রাজনৈতিক ব্যঙ্গ, সামাজিক বার্তা এবং প্রতিবাদ-এই তিনের মিশেলে তৈরি এই প্ল্যাটফর্ম ইতিমধ্যেই বহু পরিচিত মুখকে আকৃষ্ট করেছে।
আরও পড়ুন: Abhishek FIR Row: অভিষেকের মন্তব্যে তীব্র ক্ষোভ, তবু মিলল রক্ষাকবচ
তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ (Cockroach Janta Party) থেকে শুরু করে সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছেন। পাশাপাশি বলিউড এবং বিনোদন জগতের একাধিক পরিচিত ব্যক্তিত্বও এই প্ল্যাটফর্মকে অনুসরণ করতে শুরু করেছেন।

টার্গেটেড অ্যাকাউন্ট!
বুধবার রাতে আচমকা ইনস্টাগ্রামে CJP-র অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ায় জল্পনা শুরু হয়। কেউ কেউ দাবি করেন, জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকায় ইচ্ছাকৃতভাবে অ্যাকাউন্টটিকে টার্গেট করা হয়েছে। যদিও কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ফের সক্রিয় হয়।
শক্তিশালী যুবস্বরের প্রতীক
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির এক বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে ক্ষোভ থেকেই এই উদ্যোগের সূচনা। বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অভিজিৎ ডিপকে এই প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন। ব্যঙ্গের মোড়কে শুরু হলেও এখন CJP সোশ্যাল মিডিয়ায় এক শক্তিশালী যুবস্বরের প্রতীক হয়ে উঠছে।


