Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : ভয়াবহ রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে চলেছে প্রতিবেশী বাংলাদেশের পরিস্থিতি। আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, হামলা, সংখ্যালঘু নিপীড়নের ঘটনা ঘটে চলেছে একের পর এক। এরই মধ্যে ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক উত্তেজনাও বাড়ছে। পাশাপাশি এবার নতুন করে সামনে এসেছে আরেকটি গুরুতর সমস্যা। কন্ডোমসহ বিভিন্ন গর্ভনিরোধকের(Contraception) ভয়াবহ ঘাটতি(Condom)।
আর ৩৯ দিনের কন্ডোম মজুত দেশে (Condom)
বাংলাদেশের পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতর (DGFP)-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে মজুত কন্ডোম সর্বোচ্চ আর মাত্র ৩৯ দিনের জন্য রয়েছে। জাতীয় দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুন বছরের প্রথম মাসজুড়ে এই ঘাটতি চলতে পারে। শুধু কন্ডোমই নয়, কমছে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল, আইইউডি, ইনজেকশন ও ইমপ্লান্টের মজুত ভাণ্ডারও। বর্তমানে আইইউডি রয়েছে মাত্র ৪৫ দিনের জন্য, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল রয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাসের এবং ইনজেকশন প্রায় সাড়ে ছয় মাসের জন্য।
কমিউনিটি ক্লিনিকে সমস্যা (Condom)
দেশের বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক ইতিমধ্যেই সমস্যায় পড়েছে। বরিশালের চর করাই কমিউনিটি ক্লিনিকের কর্মী পারভিন খাতুন জানিয়েছেন, আগে যেখানে মাসে ২৫০ স্ট্রিপ পিল আসত, এখন সেখানে মিলছে মাত্র ৩০–৪০ স্ট্রিপ। কোথাও আবার ইনজেকশন থাকলেও সিরিঞ্জ নেই।
দেশে কন্ডোম সরবরাহ কমেছে (Condom)
এই সংকটের পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে। ২০২৩ সালে প্রায় এক বছর কন্ডোম ও অন্যান্য গর্ভনিরোধক কেনা বন্ধ ছিল। পাশাপাশি স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি খাতের একটি বড় প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সমস্যা আরও বেড়েছে। গত ছয় বছরে কন্ডোম সরবরাহ কমেছে প্রায় ৫৭ শতাংশ।
আরও পড়ুন : Silver: রেকর্ড দামে রুপো, কেজিতে ছুঁল ২.৫ লক্ষ: ২০২৬ সালে কি বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত সাদা ধাতু?
দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা (Condom)
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ঘাটতির ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ বাড়বে, জনসংখ্যা বিস্ফোরণের ঝুঁকি তৈরি হবে এবং প্রসূতি মৃত্যুর হারও বাড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৮ কোটির বেশি, আর মোট প্রজনন হার ৫০ বছরের মধ্যে প্রথমবার বেড়ে ২.৪-এ পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে গর্ভনিরোধকের অভাব দেশটির অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ও সামাজিক কাঠামোর উপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।



