Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নিউ ইয়ার্স ইভে সুইগি বা জোমাটো থেকে খাবার অর্ডার করার পরিকল্পনা থাকলে দেরির জন্য প্রস্তুত থাকুন। শুধু খাবারই নয়, জেপ্টো, ব্লিঙ্কিট, অ্যামাজন ও ফ্লিপকার্টের মতো প্ল্যাটফর্মের ডেলিভারিতেও বিঘ্ন ঘটতে পারে(Delivery)। কারণ, ওই দিন দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন গিগ ও প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের সংগঠনগুলো।
গিগ ও প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের ধর্মঘট (Delivery)
ইন্ডিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাপ-বেসড ট্রান্সপোর্ট ওয়ার্কার্স (IFAT) এবং তেলেঙ্গানা গিগ অ্যান্ড প্ল্যাটফর্ম ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন (TGPWU) যৌথভাবে এই ধর্মঘটের ঘোষণা করেছে। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই গিগ কর্মীরা কম পারিশ্রমিক, নিরাপত্তাহীন কাজের পরিবেশ, সামাজিক সুরক্ষার অভাব ও চাকরির অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। উৎসব ও পিক সিজনে শেষ মাইল ডেলিভারির মূল ভরসা হয়েও তাদের অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছে বলে অভিযোগ।
‘সামাজিক সুরক্ষা প্রায় নেই’
TGPWU-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ সালাউদ্দিনের মতে, “ডেলিভারি কর্মীদের দেওয়ালের কোণায় ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। আয় কমছে, কাজের মডেল নিরাপত্তাহীন, আর সামাজিক সুরক্ষা প্রায় নেই। এই ধর্মঘট ন্যায়, মর্যাদা ও দায়বদ্ধতার জন্য সম্মিলিত আহ্বান।”
ইউনিয়নগুলোর প্রধান দাবি (Delivery)
ইউনিয়নগুলোর প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে ন্যায্য পারিশ্রমিক কাঠামো, ‘১০ মিনিটে ডেলিভারি’ মডেল বাতিল, রাতের দেরিতে ডেলিভারির ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অযৌক্তিক আইডি ব্লক বন্ধ, অ্যালগরিদমিক বৈষম্যহীন কাজ বণ্টন, আট ঘণ্টার কর্মদিবস, বাধ্যতামূলক বিরতি এবং স্বাস্থ্যবিমা, দুর্ঘটনা কভার ও পেনশনের মতো সামাজিক সুরক্ষা।
বড়দিনেও গিগ কর্মীদের ধর্মঘট (Delivery)
বড়দিনেও গিগ কর্মীরা ধর্মঘটে নেমেছিলেন। গুরুগ্রাম, দিল্লি, নোইডা ও মুম্বইসহ একাধিক শহরে সেদিন ডেলিভারি পরিষেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। অনেক ডেলিভারি পার্টনার জানান, প্রতি কিলোমিটারে ৫–৬ টাকা আয় থেকে জ্বালানির খরচ বাদ দিলে হাতে খুব কমই থাকে, অথচ জরুরি চিকিৎসা বা মৌলিক সুবিধাও নেই।
আরও পড়ুন: Bangladesh: বাংলাদেশে ২ হিন্দু যুবককে পিটিয়ে খুন: তীব্র নিন্দা, উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের
সমস্যার সমাধানে আরও পদক্ষেপ জরুরি (Delivery)
এই পরিস্থিতিতে সম্প্রতি কার্যকর হওয়া সামাজিক সুরক্ষা বিধিতে সরকার প্রথমবার গিগ কর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করেছে। তবে ইউনিয়নগুলোর দাবি, এটি শুধু প্রথম ধাপ—বাস্তব সমস্যার সমাধানে আরও পদক্ষেপ জরুরি।



