Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভিনেতা ও সাংসদ দেব (Dev On SIR) সাম্প্রতিক সময়ে হেনস্থা এবং হয়রানির অভিযোগের মধ্যেই নির্বাচন সংক্রান্ত শুনানিতে হাজির হয়েছেন। বুধবার এই শুনানির পর দেব সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভোটারদের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি ইঙ্গিতে বোঝান, রাজনীতিতে জড়িত থাকলে কখনও কখনও কিছু অনিশ্চিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়।
সিনিয়র সিটিজেনদের নিয়ে দেব (Dev On SIR)
দেব বিশেষভাবে দেশের সিনিয়র সিটিজেনদের (Dev On SIR) বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘যাঁরা ৭০–৯০ বছরের উপরে, একা থাকেন, শারীরিক অসুবিধা বা ভয় কারণে বড় লাইনে দাঁড়াতে পারেন না, তাঁদের কথা নির্বাচন কমিশনের অবশ্যই ভাবা উচিত। এমন মানুষের জন্য প্রতিনিধি পাঠিয়ে তাঁদের পরিচয় প্রমাণ করার সুযোগ দেওয়া হলে ভালো হয়।’ দেবের মতে, এই শ্রেণির মানুষদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

দেবের রাজনৈতিক বার্তা (Dev On SIR)
পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষিতে দেব (Dev On SIR) রাজনৈতিক দলের নেতাদের জন্যও বার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সকল দল যেন মানুষকে একত্রিত করার বার্তা প্রচার করে। নির্বাচনের সময় এমন কিছু না হয় যা রাজ্যের খ্যাতিকে ক্ষুণ্ণ করে। রাজ্যের নাম খারাপ হওয়া মানে দেশের নামও খারাপ হওয়া। তাই নেতাদের দায়িত্ব, রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে মানুষকে বিভাজিত না করা এবং সকলকে একত্রিত করার বার্তা দেওয়া।’

ব্যক্তিগত বিষয়েও মন্তব্য (Dev On SIR)
নিজের ব্যক্তিগত বিষয়েও দেব কিছু মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাকে কেন এই শুনানিতে ডাকা হয়েছে, তার কারণ আমি জানি না। তবে আমি দেশকে ভালোবাসি এবং নিয়ম মেনে চলছি। ফর্ম অনুযায়ী সব তথ্য পূরণ করেছি। আমি কাউকে দোষারোপ করছি না-এটি নির্বাচন কমিশনের ভুল হতে পারে, বা আমার ভুল হতে পারে। আমার পাসপোর্টও সঙ্গে এনেছি এবং দেখিয়েছি।’ দেব আরো বলেন, ‘২০১৪ থেকে আমি যে তিনটি ভোট দিয়েছি, সেগুলো কি এখন অবৈধ হবে? যারা ২০১১, ২০১৪, ২০১৬, ২০১৯, ২০২৪ সালে ভোট দিয়েছেন, তা কি সব অবৈধ হয়ে যাবে? নির্বাচন কমিশন নিশ্চয়ই এসব নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে।’

দেব হেনস্থার বিষয়ে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, একজন সাংসদ বা রাজনীতিবিদ হিসেবে ‘হ্যারাসমেন্ট’ শব্দটি ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে যেসব ঘটনা ঘটছে, তা এখন নতুন নিয়মে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক জীবনে আসার পর স্বাভাবিক জীবন যাপন করা সহজ নয়। বিভিন্ন দলের পক্ষ থেকে হ্যারাসমেন্টের অভিযোগ আসা এখন প্রায় স্বাভাবিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।’


