Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সর্বভারতীয় নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিতর্কের মুখে শেষপর্যন্ত নতিস্বীকার করে পদত্যাগ করলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। নিট পরীক্ষার অনিয়মকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তীব্র বিক্ষোভের পর এই সিদ্ধান্ত নেন তিনি। যন্তর মন্তরে চলা শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলন এবং রাজনৈতিক চাপের মুখে প্রবীণ এই বিজেপির নেতার পদত্যাগ ভারতের রাজনীতিতে এক বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে(Dharmendra Resign)।
আন্দোলনের মুখে নতিস্বীকার(Dharmendra Resign)
ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) নেতৃত্বে শিক্ষার্থী ও বিরোধীরা লাগাতার পথ অবরোধ করে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল। মোদী সরকার নিট কেলেঙ্কারিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ না নেওয়ার আশ্বাস দিলেও, বিক্ষোভকারীরা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছিল। সরকারের সাথে পরবর্তী আলোচনা শুরুর আগে তারা শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফাকে প্রধান শর্ত হিসেবে উপস্থাপন করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X)-এ নিজের পদত্যাগপত্র প্রকাশ করে ৫৭ বছর বয়সী ধর্মেন্দ্র প্রধান লেখেন, নিট অনিয়মের সমস্ত দায়িত্ব তিনি নিজের কাঁধে নিচ্ছেন। তিনি বলেন, দেশবিরোধী শক্তি যাতে শিক্ষার্থীদের আবেগ ও ভবিষ্যতের ক্ষতি করতে না পারে এবং ছাত্রছাত্রীরা যাতে নিজেদের পড়াশোনায় মনোনিবেশ করতে পারে, তাই তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন।
২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিতর্কের মুখে পদত্যাগ করার ঘটনা অত্যন্ত বিরল। এর আগে ২০১৮ সালে #MeToo আন্দোলনের সময় যৌন হেনস্থার অভিযোগে তৎকালীন বিদেশ প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর পদত্যাগ করেছিলেন। দীর্ঘ ছয় বছর পর আবার কোনও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আন্দোলনের চাপে পদ ছাড়তে বাধ্য হলেন(Dharmendra Resign)।
আরও পড়ুন: CJP Dipke: লড়াই এখনও শেষ হয়নি, শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফার পরও দাবি অভিজিৎ দিপকের
বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছিল যে বর্তমান সরকার স্বৈরাচারী মনোভাব দেখাচ্ছে(Dharmendra Resign)। কিন্তু এই ইস্তফা প্রমাণ করে যে, পরীক্ষার্থীদের ক্ষোভের মাত্রা কতখানি গভীর ছিল। এবার শিক্ষার্থীদের মূল দাবিগুলো পূরণ হয় কি না, সেদিকেই পুরো দেশের নজর।



