Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের প্রতিরক্ষা খাতকে সম্পূর্ণ স্বাবলম্বী করতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিল ‘ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ (DRDO)। ক্ষেপণাস্ত্র ও গাইডেড বোমা ব্যবস্থার মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বিকাশ ও উৎপাদনের জন্য ভারতীয় বেসরকারি সংস্থাগুলিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ডিআরডিও-র আরসিআই(DRDO Defence)।
নতুন ফ্রেমওয়ার্কের মূল লক্ষ্য (DRDO Defence)
ডিআরডিও-র প্রস্তাবিত ‘ডেভেলপমেন্ট কাম প্রোডাকশন পার্টনারশিপ’ (DcPP) মডেলটি কেবল যন্ত্রাংশ সংযোজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি যৌথ নকশা, বিকাশ, রূপান্তর এবং সরবরাহের একটি সমন্বিত মাধ্যম।
প্রযুক্তি হস্তান্তর: সফল উন্নয়ন পর্ব শেষে ডিআরডিও প্রস্তুতকারক বেসরকারি সংস্থাগুলিকে বিনামূল্যে ও ‘নন-এক্সক্লুসিভ’ ভিত্তিতে প্রযুক্তি হস্তান্তর (ToT) করবে।
উৎপাদন সক্ষমতা: বেসরকারি সংস্থাগুলি সশস্ত্র বাহিনীর জন্য নির্ধারিত স্কেলে (ন্যূনতম ৫০ থেকে ১০০ ইউনিট) গণ-উৎপাদনের সুবিধা তৈরি করবে।
লাইফসাইকেল সাপোর্ট: অস্ত্রের কার্যকাল চলাকালীন সেগুলির আধুনিকীকরণ ও লজিস্টিক সহায়তার দায়িত্বও থাকবে নির্বাচিত সংস্থাগুলির ওপর।
কারা যোগ্য হতে পারে?
এই প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে সংস্থাগুলির জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে:
আর্থিক সক্ষমতা: আবেদনকারী সংস্থার বার্ষিক টার্নওভার হতে হবে অন্তত ১০০ কোটি টাকা। ন্যূনতম নিট ওয়ান্থ ৩৪ কোটি টাকা এবং এটি সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের মূল্যমান অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। এছাড়া ক্রেডিট রেটিং ন্যূনতম ‘BBB’ হতে হবে।
মান নিয়ন্ত্রণ: ISO 9001:2015 বা AS9100 সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামূলক।
বিস্ফোরক লাইসেন্স: বিপজ্জনক উপাদান ও ক্ষেপণাস্ত্র অ্যাসেম্বলিংয়ের জন্য সংস্থাগুলির পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড এক্সপ্লোসিভস সেফটি অর্গানাইজেশন (PESO)-এর লাইসেন্স এবং অন্তত ৫ টন বিস্ফোরক সংরক্ষণের পরিকাঠামো থাকা আবশ্যক(DRDO Defence)।
আরও পড়ুন: Imran Khan: হাসপাতাল ঘুরে জেলে ফিরলেন ইমরান খান: নিরাপত্তা নিয়ে বিতর্ক
বাছাই পদ্ধতি (DRDO Defence)
ডিআরডিও-র বিশেষ কমিটি ১০০ নম্বরের ফ্রেমওয়ার্কে অবকাঠামো, প্রযুক্তি এবং পূর্ব অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করবে। চূড়ান্ত নির্বাচনের জন্য সংস্থাকে প্রতিটি প্রযুক্তি বিভাগে অন্তত ৫০% এবং সার্বিকভাবে ৬০%-এর বেশি নম্বর পেতে হবে। সাধারণত প্রতিটি প্রকল্পের জন্য দু’টি সংস্থাকে মনোনীত করা হবে।
শিল্প বিশেষজ্ঞদের মতে, সরকারি ও বেসরকারি খাতের এই ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব ভারতকে নিজস্ব চাহিদার উপযোগী অস্ত্র তৈরিতে এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।



