Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: IFA শিল্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল প্রতিপক্ষ নামধারী এফসি। দুই দলই এই ম্যাচটা খেলতে নেমেছিল জয় দিয়ে শুরু করে (East Bengal FC)।
ফাইনালে লাল-হলুদ ব্রিগেড (East Bengal FC)
IFA শিল্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে খেলতে নাম ইস্টবেঙ্গল ও নামধারী এফসি। খাতায় কলমে গ্রুপস্তরের ম্যাচ হলেও কার্যত এটাই ছিল সেমিফাইনাল। কারণ যেই দলই এই ম্যাচ জিততো তারাই পৌঁছে জেট ফাইনালে। আর সেই লড়াইয়ে শেষ হাসি হাসলো মশাল ব্রিগেড। গোটা ম্যাচ জুড়েই দেখা গিয়েছে ইস্টবেঙ্গলের দাপট। কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে ২-০ গোলে নামধারী এফসি-কে হারিয়ে IFA শিল্ডের ফাইনালে পেপুছে গেল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC)।
দুটো গোল করেন পিভি বিষ্ণু ও মহম্মদ রশিদ। প্রথমার্ধে আসা দুই গোল ম্যাচের গতিপথ ঠিক করে দেয়। শুরুতেই দুটো গোল খেয়ে নামধারী এফসি ব্যাকফুটে চলে যায়। তারপর আর তারা ম্যাচে ফিরতে পারেনি। ফাইনালের আগে অস্কার ব্রুজো বলেছিলেন দলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনার কথা। তিনি সেই কথা মতো হামিদ সহ মোট তিন পরিবর্তনে সাজিয়েছিলেন প্রথম একাদশ। ফলও পেলেন হাতেনাতে। ফাইনালের আগে দলের শক্তি পরীক্ষা হয়ে গেল বলেই মনে করছেন সবাই।

মহম্মদ রশিদ ম্যাচের প্রথম গোল করেন। ১৯ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ক্রমাগত আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়াতে দেখা যায় লাল-হলুদ শিবিরকে। নামধারীরর রক্ষণ ভাঙতে লাগে ১৯ মিনিট। মিগুয়েল এবং রশিদকে গেল অনবদ্য ছন্দে। পুরো ম্যাচ ইস্টবেঙ্গল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে। ম্যাচের সেরা হন রশিদ। গোল করার পাশাপাশি তাকে দেখা যায় বিপক্ষের আক্রমণ আটকাতেও। ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলে যান তিনি।

আরও পড়ুন: FIFA World Cup: ভারত যা পারলো না সেটাই করে দেখালো সাড়ে পাঁচ লক্ষ জনসংখ্যার দেশ
ইস্টবেঙ্গলের দ্বিতীয় গোলটা আসে ৪১ মিনিটে। সল ক্রেসপোর পাসে বল গোলে জড়িয়ে দেন বিষ্ণু। প্রথমার্ধে ২-০ শেষ হওয়ার পর ইস্টবেঙ্গল দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণ বাড়ায়। তবে নামধারীর রক্ষণ ভাঙা কঠিন হয়ে যায়। একাধিক গোলের সুযোগও হারায় মশাল ব্রিগেড। নামধারী কিছু গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারলেও ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণের কাছে তা প্রতিহত হয় (East Bengal FC)।


