Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এক জটিল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটে পড়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ, গাজায় প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (ISF) পাকিস্তানি সেনা পাঠানোর অনুরোধ। অন্যদিকে, দেশের ভেতরে তীব্র জনমত ও ইসলামপন্থী শক্তির বিরোধিতার সম্ভাবনা(Gaza)।
ট্রাম্পের ২০ দফা গাজা পরিকল্পনা (Gaza)
ট্রাম্প গাজায় শান্তি ও পুনর্গঠনের জন্য ২০ দফা পরিকল্পনা পেশ করেছেন, যা অনুমোদন করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জ। পরিকল্পনা অনুযায়ী মুসলিম-প্রধান দেশগুলির সেনা নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের কথা বলা হয়েছে। অ্যাক্সিওসের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বাহিনীর নেতৃত্বে থাকবেন এক মার্কিন জেনারেল, যদিও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি গাজার মাটিতে সেনা নামাবে না।
কাতারে এক বৈঠক (Gaza)
কাতারে সম্প্রতি এক বৈঠকে পাকিস্তান, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, কাতার, জর্ডন, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ফ্রান্স ও ব্রিটেনসহ একাধিক দেশ অংশ নেয়। তবে হামাসের সমর্থক তুরস্ককে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
গাজায় সেনা পাঠালে বিপাকে পড়তে পারেন মুনির (Gaza)
গাজা যুদ্ধ শুরুর পর পাকিস্তানে ইজরায়েল-বিরোধী মনোভাব চরমে। ইসলামাবাদ প্রকাশ্যে ঘটনাকে ‘গণহত্যা’ বলে আখ্যা দিয়েছে এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী বলেছে। এই আবহে গাজায় সেনা পাঠালে আসিম মুনিরকে বিশ্বাসঘাতক হিসেবে চিহ্নিত করা হতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।ইসলামপন্থী দলগুলি, যাদের ব্যাপক জনসমর্থন ও রাস্তার শক্তি রয়েছে, বড়সড় আন্দোলনে নামতে পারে। পাশাপাশি, কারাবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দলও মুনির-বিরোধী অবস্থানে রয়েছে।
আরও পড়ুন: Bangladesh : ভারত-বাংলাদেশ টানাপোড়েন: বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে তলব ভারতের বিদেশমন্ত্রকের
ট্রাম্পের অসন্তোষের সম্ভাবনা (Gaza)
বিশ্লেষকদের মতে, গাজা বাহিনীতে অংশ না নিলে ট্রাম্প প্রশাসন অসন্তুষ্ট হতে পারে, যা পাকিস্তানের জন্য কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর। আবার অংশ নিলে দেশের ভেতরে অস্থিরতা বাড়বে। তবু আসিম মুনিরকে হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক, সম্প্রতি চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং সাংবিধানিক সুরক্ষা তাঁকে বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত গাজা ইস্যুতে কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা পাকিস্তানের ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে পারে।



