Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) ২০২৬ সালের প্রথম দিকের তাপপ্রবাহ সতর্কতা জারি করতেই উত্তর ভারতের বহু অংশ দিল্লিসহ তীব্র গরমের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। (Heat Water)
হলুদ সতর্কতা জারি (Heat Water)
ইতিমধ্যেই কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়েছে, যা এই বছরের অন্যতম উষ্ণ সময়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আপাতত হলুদ সতর্কতা জারি রয়েছে, এবং সপ্তাহের শেষে সামান্য স্বস্তি মিললেও তার আগে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন শরীর সুস্থ রাখতে ঠিক কতটা জল পান করা উচিত?

কতটা জল খাবেন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর কোনও নির্দিষ্ট পরিমাণ নেই। সাধারণ আবহাওয়ায় দিনে ২-৩ লিটার জল যথেষ্ট হলেও, তীব্র গরমে শরীরের চাহিদা অনেকটাই বেড়ে যায়। অতিরিক্ত ঘাম, রোদে যাতায়াত বা দীর্ঘ সময় বাইরে কাজ করার ফলে শরীর দ্রুত জল হারায়। ফলে তাপপ্রবাহের সময়ে প্রাপ্তবয়স্কদের দৈনিক ৩ থেকে ৫ লিটার পর্যন্ত জল প্রয়োজন হতে পারে।
শরীরে জলের যথেষ্ট জোগান
শুধু তৃষ্ণা পেলেই জল খাওয়া যথেষ্ট নয়। তৃষ্ণা লাগার আগেই শরীরে জলশূন্যতা শুরু হয়ে যেতে পারে। ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, মাথাব্যথা বা গাঢ় হলুদ রঙের প্রস্রাব এসবই ডিহাইড্রেশনের প্রাথমিক লক্ষণ। পরিস্থিতি গুরুতর হলে হিট এগঝশন বা হিটস্ট্রোকও হতে পারে।

সারাদিনে অল্প অল্প জল খান
তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, একসঙ্গে অনেকটা জল না খেয়ে সারাদিনে অল্প অল্প করে নিয়মিত জল পান করা উচিত। যারা রোদে কাজ করেন, তাঁদের প্রতি ১৫-২০ মিনিট অন্তর প্রায় ২০০-২৫০ মিলিলিটার জল খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

জল নয়, লবণও জরুরি (Heat Water)
তবে শুধু জলই নয়, ঘামের সঙ্গে শরীর থেকে লবণও বেরিয়ে যায়। তাই ওআরএস, ডাবের জল বা হালকা নুন-লেবুর শরবত শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। তরমুজ, শসা, কমলালেবুর মতো জলসমৃদ্ধ ফলও উপকারী।
আরও পড়ুন: Mali Attack: মালিতে সশস্ত্র জঙ্গি হামলা: রাজধানী সহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হানার লক্ষ্য
অভ্যাসে রাখুন জল পান (Heat Water)
শরীর ঠিকমত হাইড্রেটেড আছে কি না, তা বোঝার সহজ উপায় হল প্রস্রাবের রঙ লক্ষ্য করা। ফ্যাকাসে বা স্বচ্ছ রঙ মানে শরীরে জলের ঘাটতি নেই, আর গাঢ় রঙ মানে আরও জল প্রয়োজন। এই তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে হলে জল পানকে অভ্যাসে পরিণত করাই সবচেয়ে জরুরি।



