Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভরা শ্রাবণে রাজ্যজুড়ে চলছে মেঘ-বৃষ্টির খেলা। কখনও হুড়মুড়িয়ে বৃষ্টি আবার কখনও চড়া রোদ। এর মধ্যেই ফের সক্রিয় নিম্নচাপ। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর জোড়াফলায় ভারী বৃষ্টির (Heavy Rain) সম্ভাবনা রাজ্যজুড়ে।
বৃষ্টিতে কাটবে দক্ষিণের ভ্যাপসা গরম? (Heavy Rain)
সপ্তাহের প্রথমদিনই নিম্নচাপ। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সারাদিনই আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকবে। নিম্নচাপের প্রভাবে একাধিক জেলায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি (Heavy Rain) হতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।
আরও পড়ুন: Taslima Nasrin: ‘ধর্ম নয়, মানুষের অধিকার’, তসলিমার বার্তায় নতুন বিতর্কের সূচনা
এদিকে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় দফায় দফায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টির সময় ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। আপাতত দক্ষিণবঙ্গে জারি হলুদ সতর্কতা।
কলিকাতার হাওয়া-আপডেট (Heavy Rain)
সকাল থেকেই আংশিক মেঘাছন্ন আকাশ। বৃষ্টির দেখা তেমনভাবে মেলেনি। তবে হাওয়া অফিসের (Alipore Weather Office) পুর্বাভাস অনুযায়ী, দিনের যেকোনও সময় বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস। তবে তাতে তাপমাত্রার হেরফের হবে না। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকতে পারে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ অনেক বেশি থাকায় বৃষ্টি থেমে গেলেই ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে।
উত্তরে ‘লাল-কমলা’র সতর্কতা (Heavy Rain)
উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি থামার নামই নেই বললে চলে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি চলবে সোমবারও। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে কমলা ও লাল সতর্কতা জারি। দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ের পাহাড়ি এলাকাতেও ভারী বৃষ্টি (Heavy Rain) চলতে পারে। টানা বৃষ্টির কারণে পাহাড়ে ধস নামার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা এবং রায়ডাক নদীর জলস্তর বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে নদী সংলগ্ন নিচু এলাকায় জল জমা বা প্লাবনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।



